সুস্থ থাকতে ৪০-এর কম বয়সীদের দৈনিক কতগুলি আমন্ড খাওয়া জরুরি?

আমন্ড বা কাঠবাদাম কেবল স্মৃতিশক্তি বাড়াতেই নয়, বরং প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন-ই এবং ম্যাগনেসিয়ামের চমৎকার উৎস হিসেবেও পরিচিত। বর্তমানের অনিয়মিত জীবনযাত্রায় শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে এই ড্রাই ফ্রুট অত্যন্ত কার্যকর। এতে থাকা ভিটামিন এ, সি এবং ই ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দেয়।
পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, ৪০ বছরের কম বয়সী পুরুষদের দিনে ২০ থেকে ২২টি এবং নারীদের ১৫ থেকে ১৮টি আমন্ড খাওয়া উচিত। তবে শারীরিক পরিশ্রমের ওপর ভিত্তি করে এই সংখ্যা কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। আমন্ডের খোসায় থাকা ‘ট্যানিন’ পুষ্টি শোষণে বাধা দেয়, তাই সারারাত ভিজিয়ে রেখে খোসা ছাড়িয়ে খেলে তা হজমে সুবিধা হয় এবং এনজাইমগুলো সক্রিয় থাকে।
সকালে খালি পেটে সঠিক পরিমাণে আমন্ড খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বার্ধক্যের ছাপ রোধ করতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, অতিরিক্ত আমন্ড খেলে ক্যালোরির আধিক্যে ওজন বৃদ্ধি বা হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য নির্দিষ্ট মাত্রায় এই পুষ্টিকর বাদাম গ্রহণ করা শ্রেয়।