সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ডিএ দেওয়া শুরু রাজ্যের, তবুও কেন ক্ষোভে ফেটে পড়লেন সরকারি কর্মীরা

নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশে অবশেষে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ দেওয়া শুরু করল নবান্ন। শুক্রবার থেকেই সরকারি কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা শুরু হয়েছে। ৩১ মার্চের ডেডলাইন মাথায় রেখে শনি ও রবিবারও খোলা রাখা হচ্ছে সরকারি দপ্তর। তবে টাকা হাতে পেতেই দানা বেঁধেছে নতুন বিতর্ক। ডিএ-র পরিমাণ এবং দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আন্দোলনকারী সরকারি কর্মীরা।
আন্দোলনকারী সংগঠনগুলোর অভিযোগ, সর্বোচ্চ আদালত ডিএ দেওয়ার ক্ষেত্রে যে নির্দেশিকা দিয়েছিল, রাজ্য সরকার তা সঠিকভাবে পালন করছে না। পোর্টালের মাধ্যমে বকেয়া টাকার হিসাব নেওয়ার পরেও পাওনার তুলনায় অনেক কম টাকা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাদের। কো-অর্ডিনেশন কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অল ইন্ডিয়া কনজিউমার ইনডেক্স না মেনে রাজ্য সরকার কর্মীদের সঙ্গে ‘তঞ্চকতা’ করছে।
অন্যদিকে, শিক্ষা ও পুরসভার কর্মীদের ডিএ পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির দাবি, নবান্ন তৎপর হলেও শিক্ষা দপ্তর বা অন্যান্য দপ্তরের ঢিলেঢালাভাবে সাধারণ কর্মীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। যদিও শাসকপন্থী কর্মচারী ফেডারেশনের দাবি, বিরোধীরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সদিচ্ছায় ধাপে ধাপে সমস্ত স্তরের কর্মীরাই তাঁদের পাওনা টাকা পাবেন। এই টানাপোড়েনের মাঝেই বকেয়া ডিএ নিয়ে ফের অর্থ দপ্তরে নালিশ জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধী সংগঠনগুলো।