ভোটে জালিয়াতি রুখতে এবার কি বায়োমেট্রিক পদ্ধতি? সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

ভোটকেন্দ্রে এবার আঙুলের ছাপ আর চোখের মণির স্ক্যান? আমূল বদলে যেতে পারে ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়া। ভুয়া ভোট এবং ‘ঘোস্ট ভোটিং’ চিরতরে বন্ধ করতে সুপ্রিম কোর্টে এক ঐতিহাসিক জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন আইনজীবী অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায়।
আবেদনে জানানো হয়েছে যে বর্তমানের ম্যানুয়াল ভোটার যাচাইকরণ পদ্ধতি অত্যন্ত পুরনো এবং ত্রুটিপূর্ণ। এর বদলে আধার কার্ডের মতো বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন চালু করলে ‘এক নাগরিক, এক ভোট’ নীতি কঠোরভাবে পালন করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনগুলোতে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।
এই পিটিশনে দাবি করা হয়েছে যে ডিজিটাল শনাক্তকরণ ব্যবস্থা চালু হলে ভোটার তালিকায় নাম বিভ্রাট বা ডুপ্লিকেট ভোটারদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে। গত ২৮ মার্চ নির্বাচন কমিশনের কাছে এই বিষয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হলেও কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় শেষ পর্যন্ত শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপ চাইলেন আবেদনকারী। এখন দেখার বিষয়, দেশের নির্বাচনী স্বচ্ছতা ফেরাতে সুপ্রিম কোর্ট বায়োমেট্রিক ভোটগ্রহণে সবুজ সংকেত দেয় কি না।