ভোটের ময়দানে সিপিএমের সেই ‘চিরকুট’ রাজনীতি! কড়া ভাষায় পাল্টাচাল কুণাল ঘোষের

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে অভিনবত্ব আনতে ‘কাজের চিরকুট’ বিলি শুরু করেছে সিপিএমের ছাত্র-যুব সংগঠন। বেলেঘাটা থেকে বেহালা—সর্বত্রই তরুণ ও প্রথম ভোটারদের লক্ষ্য করে হাতে লেখা এই রঙিন চিরকুট বিলি করছে ডিওয়াইএফআই। নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, এমনকি বিজেপি বিরোধী নানা বার্তাও উঠে আসছে এই ছোট ছোট কাগজে। বামেদের দাবি, ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ স্থাপন করতেই এই পুরোনো কৌশল বেছে নেওয়া হয়েছে।
তবে সিপিএমের এই প্রচার পদ্ধতিকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ। বামেদের এই প্রচেষ্টাকে ‘বিকৃত’ আখ্যা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন প্রচারের গোপনীয়তা নিয়ে। কুণালের মতে, চিরকুট মানেই লুকোছাপা, যা স্বচ্ছ রাজনীতির পরিপন্থী। তাঁর দাবি, এলাকার মানুষ বাম আমলের সমস্ত নেতিবাচক ইতিহাস জানেন, তাই চুরচুর করে চিরকুট বিলি করে মানুষের মন জয় করা সম্ভব নয়।
শূন্য হাতে লড়তে নামা সিপিএম যখন বেকারত্ব ও কর্মসংস্থানের ইস্যুকে চিরকুটের মাধ্যমে হাতিয়ার করছে, তখন শাসক দল তাকে এককালের ‘চিরকুটে চাকরি’র অপবাদের সঙ্গে তুলনা করছে। ডিওয়াইএফআই নেতৃত্ব অবশ্য পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের আমলে নিয়োগ থমকে থাকায় তাঁরা বিকল্প পন্থায় মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছেন। ভোটের লড়াইয়ে এই চিরকুট রাজনীতি শেষ পর্যন্ত জনমতে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।