২০ থেকে ৩০ জনের সামনেই মর্মান্তিক পরিণতি! শ্বেতাকে বাঁচাতে গিয়েই কি তলিয়ে গেলেন রাহুল? ঘনীভূত রহস্য

শুটিং সেটে ঠিক কী ঘটেছিল সেই অভিশপ্ত বিকেলে? তালসারি সৈকতে অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষ মুহূর্তের হাড়হিম করা ভিডিও ফুটেজ এখন পুলিশের হাতে। সহ-অভিনেত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে নাকি নিজের অজান্তেই মৃত্যুর মুখে এগিয়ে গেলেন অভিনেতা? উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ আর জোয়ারের টানে চোখের নিমেষে সব শেষ হয়ে যাওয়ার সেই মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে শিউরে উঠছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
তদন্তে নেমে ওড়িশা পুলিশ ও দিঘা থানার হাতে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। সূত্রের খবর, শ্বেতা ও রাহুলের একটি নাচের দৃশ্যের শুটিং চলাকালীন আচমকাই ভারসাম্য হারিয়ে মাটির দিকে ঝুঁকে পড়েন শ্বেতা। তাঁকে ধরে রাখতে গিয়েই বিপত্তি ঘটে। শ্বেতাকে দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও উত্তাল ঢেউয়ের তোড়ে গভীর সমুদ্রের দিকে ছিটকে যান রাহুল। দীর্ঘ দুই ঘণ্টার হাড়ভাঙা তল্লাশির পর যখন তাঁকে উদ্ধার করা হয়, ততক্ষণে অনেকটাই দেরি হয়ে গেছে।
পরিচালক শুভাশিস মণ্ডলের বয়ানে উঠে এসেছে আরও এক রহস্যজনক দিক। সমুদ্রের ধারে গোড়ালি সমান জলে দাঁড়িয়ে সংলাপ বলার কথা থাকলেও রাহুল কেন বারবার বারণ করা সত্ত্বেও গভীর জলের দিকে এগোচ্ছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেও তাঁর জ্ঞান ছিল বলে দাবি করা হলেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। বিনোদন জগতের এই অপূরণীয় ক্ষতিতে শোকস্তব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পিছনে কি কেবলই অসাবধানতা নাকি শুটিংয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড়সড় গাফিলতি ছিল, তা খতিয়ে দেখতে জোরদার তদন্ত শুরু হয়েছে।