ট্রাম্পের টার্গেট ইরানের ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম, পরমাণু অস্ত্র রুখতে কি তেহরানে ঢুকছে মার্কিন ফৌজ

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের দামামা আরও তীব্র করে সরাসরি ইরানে স্থল অভিযানের ছক কষছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কূটনৈতিক আলোচনার আড়ালে মার্কিন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য এখন তেহরানের হাতে থাকা প্রায় ৪০০ কিলোগ্রাম উচ্চমাত্রার ইউরেনিয়াম। ট্রাম্পের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, হয় আলোচনার টেবিলে এই ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে, নয়তো শক্তি প্রয়োগ করে তা দখল করবে আমেরিকা। ওয়াশিংটন সূত্রে খবর, পরমাণু অস্ত্র তৈরির এই মূল উপাদান কবজা করতে ইতিমধ্যেই উপসাগরীয় অঞ্চলে ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি শুরু করেছে পেন্টাগন।
মার্কিন গোয়েন্দাদের দাবি, গত বছর ইজরায়েলি হামলার পরেও ইসফাহান ও নাতাঞ্জের ভূগর্ভস্থ কেন্দ্রে এই বিপুল পরিমাণ ইউরেনিয়াম সুরক্ষিত রয়েছে। যা ৯০ শতাংশ বিশুদ্ধ করে নিমেষেই পরমাণু বোমা বানানো সম্ভব। এই ঝুঁকি এড়াতে ট্রাম্প প্রশাসন এখন ‘করো অথবা মরো’ নীতিতে এগোচ্ছে। তবে এই অভিযান সহজ হবে না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। মাটির গভীরে বিশেষ সিলিন্ডারে রাখা এই ইউরেনিয়াম উদ্ধার করতে গেলে বড়সড় যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। একদিকে পাকিস্তান ও তুরস্ক মধ্যস্থতার চেষ্টা করলেও ট্রাম্পের রবিবারের চরম হুঁশিয়ারি তেহরানের অস্বস্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন দেখার, পরমাণু স্বপ্ন বাঁচাতে ইরান পিছু হটে নাকি ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হয় নতুন কোনো রক্তক্ষয়ী সংঘাত।