পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও কি কাটছে না ক্লান্তি? শরীরে বাসা বাঁধছে না তো মারাত্মক কোনো রোগ

সারাদিনের কাজের পর ক্লান্ত বোধ করা স্বাভাবিক হলেও, দীর্ঘস্থায়ী অবসাদ কোনো জটিল রোগের পূর্বাভাস হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, শরীরে আয়রন, ভিটামিন বি বা ডি-এর অভাব ঘটলে রক্তে অক্সিজেন পরিবহণ ক্ষমতা কমে যায়, যার ফলে সামান্য পরিশ্রমেই ক্লান্তি আসে। এছাড়া থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতা কিংবা রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়াও এই ক্লান্তির অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে। তাই বিশ্রামের পরেও যদি অবসাদ দূর না হয়, তবে একে অবহেলা করা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন এনে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, দিনে অন্তত ৭ গ্লাস জল পান এবং নির্দিষ্ট সময়ে ৬-৭ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি। তবে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের পরেও যদি টানা ২-৩ সপ্তাহ অতিরিক্ত ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট বা ওজন কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়, তবে বিলম্ব না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। নিয়মিত যোগব্যায়াম এবং ফাস্ট ফুড বর্জন শরীরকে সতেজ রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।