মাইল মাইল হাঁটাতেও হবে না পায়ের ব্যথা! ভোটের প্রচারে প্রার্থীরা কোন বিশেষ জুতোর ওপর ভরসা করছেন জানেন

ভোটের লড়াইয়ে জেতার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো জন সংযোগ, আর তার জন্য প্রার্থীদের প্রতিদিন মাইলের পর মাইল হাঁটতে হয়। কড়া রোদে দীর্ঘক্ষণ হাঁটাচলায় পায়ের ওপর ব্যাপক চাপ পড়ে। এই ধকল সামলাতে এবং পা সুরক্ষিত রাখতে রাজনীতিকরা এখন বিশেষ ধরনের জুতোর দিকে ঝুঁকছেন।
পায়ের সুরক্ষায় প্রার্থীদের প্রথম পছন্দ
চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ পথ হাঁটার জন্য সাধারণ চটি বা শক্ত সোলের জুতো একেবারেই উপযোগী নয়। প্রার্থীরা মূলত হালকা ওজনের এবং শক-অ্যাবজর্বার প্রযুক্তি সম্পন্ন স্নিকার্স বা ওয়াকিং শু বেছে নিচ্ছেন। নরম মেমোরি ফোম যুক্ত সোল পায়ের পাতার আর্চকে সঠিক সাপোর্ট দেয়, যা দীর্ঘ সময় হাঁটা সত্ত্বেও ক্লান্তি এবং ব্যথা অনেকটা কমিয়ে দেয়।
জুতো নির্বাচনের কিছু জরুরি কৌশল
দীর্ঘক্ষণ হাঁটলে সাধারণত পা সামান্য ফুলে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। তাই অভিজ্ঞ প্রচারকরা নিজেদের মাপের চেয়ে অন্তত এক বা আধ নম্বর বড় জুতো পরার পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া রাস্তার উঁচু-নিচু বা পিচ্ছিল পথে ভারসাম্য বজায় রাখতে মজবুত গ্রিপযুক্ত রানিং শু সবচেয়ে কার্যকর। হিল তোলা বা পাতলা চটি জুতো এড়িয়ে চলাই ভালো, কারণ এতে হাড় ও পেশিতে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা তৈরি হতে পারে।
ক্লান্তি দূর করার ঘরোয়া টিপস
সারাদিনের প্রচার শেষে পা সতেজ রাখতে হালকা গরম জলে পা ডুবিয়ে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া বয়স্ক এবং ডায়াবেটিস আক্রান্ত প্রার্থীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। প্রচারের ব্যস্ততার মাঝেও নিয়মিত ওষুধ খাওয়া এবং জুতোর আরামের বিষয়ে আপস না করাই সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি। সঠিক জুতো শুধুমাত্র আরাম দেয় না, বরং দীর্ঘ লড়াইয়ে টিকে থাকার মানসিক ও শারীরিক শক্তিও জোগায়।