ট্রাম্পের ‘ফেভরেট’ মুনিরা: ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান?

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা প্রশমনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হতে চাইছে পাকিস্তান। সেনাপ্রধান অসীম মুনিরের সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুসম্পর্ক এবং ইরানের সাথে দীর্ঘ সীমান্ত ও সাংস্কৃতিক নৈকট্য ইসলামাবাদকে এই ভূমিকায় এগিয়ে রাখছে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা এখন পাকিস্তানের নিজস্ব কৌশলগত ও জাতীয় স্বার্থের জন্য অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে এই শান্তিপ্রচেষ্টার আড়ালে রয়েছে চরম অর্থনৈতিক ও সামরিক ঝুঁকি। জ্বালানি তেলের জন্য হরমোজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল পাকিস্তান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ভয়াবহ সংকটে পড়বে। ইতিউতি জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি কর্মদিবস কমানো হয়েছে। এছাড়া সৌদি আরবের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তির কারণে রিয়াদ যুদ্ধে জড়ালে পাকিস্তানের পক্ষে নিরপেক্ষ থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।
অভ্যন্তরীণ জনমত ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিও পাকিস্তানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে আফগানিস্তান সীমান্তে সামরিক সংঘাত, অন্যদিকে দেশের ভেতরে ইরানপন্থী শক্তিশালী জনআবেগ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। করাচিতে মার্কিন দূতাবাসে হামলা ও বিক্ষোভের ঘটনা প্রমাণ করে যে, এই কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা ইসলামাবাদের জন্য কেবল কৌশল নয়, বরং টিকে থাকার লড়াই।