কার নজরদারিতে শুভেন্দুর ফোন? বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়ে কমিশনে বিজেপি, পালটা ‘পেগাসাস’ তোপ তৃণমূলের

রাজ্য রাজনীতির পারদ চড়িয়ে এবার ফোন ট্র্যাকিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভা নির্বাচনের আবহে শুভেন্দুর দাবি, পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষস্তরের কর্তারা তাঁর এবং বিজেপির একাধিক নেতার গতিবিধির ওপর নজর রাখছেন। এই মর্মে আজ মঙ্গলবার রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দপ্তরে গিয়ে নালিশ ঠুকেছে গেরুয়া শিবির।
বিজেপির প্রতিনিধি দলে থাকা শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্যদের অভিযোগ, এসটিএফ এবং আইবি-র উচ্চপদস্থ কর্তারা তাঁদের ফোন ও লোকেশন ট্র্যাক করছেন। এমনকি এই নজরদারির সপক্ষে তাঁদের কাছে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুর নিশানায় রয়েছেন বিনীত গোয়েল ও জাভেদ শামিমের মতো আইপিএস অফিসাররা। শুধু তাই নয়, ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি ও একাধিক জেলার এসপি-র বিরুদ্ধেও নির্বাচন কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনেছে বিজেপি। শুভেন্দুর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল নেতাদের বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দিতেই রাস্তাঘাট বন্ধ করে সাধারণ মানুষকে বিপাকে ফেলা হচ্ছে।
পালটা আক্রমণে নামতে দেরি করেনি ঘাসফুল শিবিরও। শুভেন্দুর এই অভিযোগকে আদতে ‘পরাজয়ের ভয়’ বলে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। তাঁর দাবি, হার নিশ্চিত জেনেই বিজেপি এখন মিথ্যে অভিযোগের আশ্রয় নিচ্ছে। জয়প্রকাশের পালটা প্রশ্ন, নজরদারি চালানোর হাতিয়ার ‘পেগাসাস’ তো খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাতেই রয়েছে। ভোটের মুখে ফোন ট্র্যাকিং ইস্যু নিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে এখন সরগরম পরিস্থিতি।