কোলস্টেরল কম থাকলেও কি হার্ট অ্যাটাক হতে পারে? অজান্তেই যে ভয়ঙ্কর ভুল করছেন আপনি
সম্প্রতি এমন অনেক ঘটনা সামনে আসছে যেখানে কোলস্টেরল স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকদের মতে, কেবল মোট কোলস্টেরল দেখে নিশ্চিন্ত হওয়া বড় ভুল। আসলে শরীরে খারাপ কোলস্টেরল (LDL) বৃদ্ধি এবং ভালো কোলস্টেরল (HDL)-এর ঘাটতিই আসল বিপদ ডেকে আনে।
কেন এই ঝুঁকি?
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, মানসিক চাপ এবং জিনগত কারণ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া ‘TOFI’ (Thin Outside, Fat Inside) অর্থাৎ বাইরে থেকে রোগা দেখালেও শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে চর্বি জমা হওয়া এখনকার তরুণ প্রজন্মের হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম প্রধান কারণ।
প্রয়োজনীয় পরীক্ষা
শুধু সাধারণ কোলস্টেরল টেস্ট নয়, বরং লিপিড প্রোফাইল, HbA1c, ইসিজি এবং সিআরপি (CRP) টেস্ট করানো জরুরি। অনেক সময় শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহ সাধারণ পরীক্ষায় ধরা পড়ে না, যা পরে ব্লকেজ তৈরি করে।
সতর্ক সংকেত
বুকে ব্যথা বা ভারি ভাব, বাম হাতে বা চোয়ালে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং অতিরিক্ত ঘাম হওয়া হার্ট অ্যাটাকের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। ৫ মিনিটের বেশি বুকে ব্যথা স্থায়ী হলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
সুরক্ষায় করণীয়
দৈনিক ৩০ মিনিট ব্যায়াম, সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং ধূমপান বর্জনই হৃদরোগ প্রতিরোধের একমাত্র উপায়। মনে রাখবেন, কোলস্টেরল কম মানেই আপনি সম্পূর্ণ নিরাপদ নন, সামগ্রিক জীবনযাত্রাই আসল চাবিকাঠি।