ভোটের আগে ‘ফর্ম-৬’ ঘিরে বিতর্ক তৃণমূলের অভিযোগ ও কমিশনের কড়া বার্তা

নির্বাচনের মুখে ‘ফর্ম-৬’ বা ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে তৃণমূলের ডেমোগ্রাফি বদলানোর অভিযোগের পাল্টা জবাব দিল নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে অভিযোগ করেন যে, বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার ফর্ম জমা দিয়ে জনবিন্যাস পরিবর্তনের চেষ্টা হচ্ছে। বিশেষ করে নোয়াপাড়া ও ব্যারাকপুরের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় অতিরিক্ত আবেদনের বিষয়টিতে তারা সিসিটিভি ফুটেজ দেখার দাবিও তোলেন।
রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল স্পষ্ট জানান, সরকারি কার্যালয় হিসেবে তারা আবেদনপত্র গ্রহণ করতে বাধ্য। তবে ফর্ম জমা দেওয়া মানেই নাম ওঠা নয়; বরং দীর্ঘ স্ক্রুটিনি বা যাচাই প্রক্রিয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিইও আরও জানান, মনোনয়নের শেষ দিনের সাত দিন আগে পর্যন্ত আবেদনের নিষ্পত্তি না হলে সেই ব্যক্তি আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না।
কমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম যুক্ত বা বাদ দেওয়ার মূল দায়িত্ব জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (DEO)। কোনো অনিয়ম হলে ১৫ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগও রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্দিষ্ট নিয়ম ও সময়সীমার কথা উল্লেখ করে কমিশন আদতে তৃণমূলের ‘তড়িঘড়ি বহিরাগত ভোটার’ করার তত্ত্বটিকেই খারিজ করে দিল। এখন স্ক্রুটিনি রিপোর্টের দিকেই তাকিয়ে সব পক্ষ।