দুর্গাপুরে মনোনয়ন জমা দিতে তৃণমূলের জনজোয়ার, মৎস্য পুজো করে নীরবে আবেদন বিজেপির

বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। বুধবার দুর্গাপুর মহকুমা শাসক দপ্তরে পাণ্ডবেশ্বর কেন্দ্রের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন যুযুধান দুই শিবিরের হেভিওয়েট প্রার্থীরা। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রীর আশীর্বাদ নিয়ে রোড শো-র মাধ্যমে শক্তি প্রদর্শন করলেন তৃণমূল প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। সিধু-কানু স্টেডিয়াম চত্বরে কর্মী-সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড় শাসক দলের সাংগঠনিক শক্তির প্রমাণ হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।
অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারি শাস্ত্র মেনে মৎস্য পুজোর পর বেশ কিছুটা নীরবে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেন। তৃণমূলের বিশাল জনসমাগমকে ‘অর্থবলের প্রদর্শন’ বলে কটাক্ষ করে তিনি জানান যে, সাধারণ মানুষের আশীর্বাদই তাঁর প্রধান শক্তি। নরেন্দ্রনাথবাবু পাল্টাপাল্টি জবাবে বিজেপির এই মৎস্য যাত্রাকে নিছক নাটক বলে বর্ণনা করেন এবং পশ্চিম বর্ধমানে তৃণমূলের নিরঙ্কুশ জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।
একই দিনে বামফ্রন্ট প্রার্থীরাও উৎসবমুখর আবহে মহকুমা শাসক দপ্তরে মনোনয়ন পেশ করেন। দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রের সীমান্ত চট্টোপাধ্যায়, পশ্চিমের প্রভাস সাঁই, রানিগঞ্জের নারায়ণ বাউরি এবং পাণ্ডবেশ্বরের প্রবীর মণ্ডল এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামলেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে শিল্পাঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণ ও প্রচারের লড়াই এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।