ঝাড়গ্রামে বিজেপির অন্দরে তীব্র কোন্দল নজরদারি ও নিষেধাজ্ঞায় ক্ষুব্ধ কর্মীরা

ঝাড়গ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে গেরুয়া শিবিরে ফাটল ও চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। জেলা কার্যালয়ে দলীয় কর্মীদের মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করা এবং বৈঠকের সময় গেটে তালা ঝোলানোর মতো সিদ্ধান্তে নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁস হওয়ার আশঙ্কায় নেতৃত্বের এই অতি-সতর্কতা কর্মীদের প্রতি অনাস্থা হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
নির্বাচনী প্রচারের রণকৌশল নিয়ে জেলা বিজেপির ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী এখন আড়াআড়ি বিভক্ত। দেওয়াল লিখন ও প্রচারের বকেয়া টাকা না পাওয়ায় জামবনীসহ বিভিন্ন ব্লকের কর্মীরা জেলা কার্যালয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। ১৯ ও ২১-এর নির্বাচনে যারা সক্রিয় ছিলেন, সেইসব পুরনো নেতাকর্মীদের বড় অংশই এখন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও নেতৃত্বের ‘ইগো’র কারণে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন।
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির এই অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে কটাক্ষ করেছে। জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সংগঠনহীন বিজেপি বাইরের নেতাদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ায় কর্মীদের ওপর গোপনীয়তার নামে ফরমান জারি করছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ক্ষুব্ধ কর্মীদের একাংশ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন, যা ঝাড়গ্রামে বিজেপির নির্বাচনী লড়াইকে কঠিন করে তুলেছে।