বিশ্বদরবারে পিংলার পটশিল্প কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় গান বাঁধলেন শিল্পীরা

বিশ্বদরবারে পিংলার পটশিল্প কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় গান বাঁধলেন শিল্পীরা

ভোটের আবহে রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেই নতুন চর্চায় মেদিনীপুরের পিংলা। বাংলার পটশিল্পকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানিয়ে গান বাঁধলেন নয়াগ্রামের বাহাদুর, মণিমালা ও জবা চিত্রকরের মতো প্রথিতযশা শিল্পীরা। তাঁদের গানে ফুটে উঠেছে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প ও গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা। বংশপরম্পরায় চলে আসা এই শিল্পকলা বর্তমানে টি-শার্ট থেকে শুরু করে গৃহস্থালির সরঞ্জামেও জায়গা করে নিয়েছে।

পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলা ব্লকের নয়াগ্রামে প্রায় ১৩৬টি পটুয়া পরিবার বর্তমানে স্বাবলম্বী। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে মেলা এবং প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে শিল্পীরা আজ রাশিয়া, ইতালি ও জার্মানির মতো দেশেও সমাদৃত। শিল্পীদের মতে, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও শিল্পীভাতার কারণে তাঁদের দীর্ঘদিনের অভাব দূর হয়েছে। ইউনেস্কোর প্রতিনিধি দলের পরিদর্শন এবং গ্রামে পট গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন এই প্রাচীন লোকশিল্পকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে।

পেশাদার এই শিল্পীরা রামায়ণ ও মহাভারতের পটচিত্রের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রচারের প্রয়োজনেও গান বাঁধেন। তবে আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও স্থানীয় নেতৃত্বের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর হাতে সম্মানিত বাহাদুর চিত্রকর বা রাষ্ট্রপতির সম্মানপ্রাপ্ত মণিমালারা স্পষ্ট জানান, সরকারি মেলা এবং বিশেষ প্রচারের মাধ্যমেই তাঁদের ভাগ্যের আমূল পরিবর্তন ঘটেছে, যা আজ নয়াগ্রামকে পর্যটন মানচিত্রে উজ্জ্বল করেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *