আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের মাঝে যুদ্ধবিমান ধ্বংস, কূটনৈতিক আলোচনায় প্রভাব পড়বে না জানালেন ট্রাম্প

হরমোজ প্রণালীর কাছে মার্কিন ফাইটার জেট ভেঙে পড়ার ঘটনায় প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে মুখ খুললেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ঘটনাকে যুদ্ধের অংশ হিসেবে বর্ণনা করলেও ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় এর কোনো প্রভাব পড়বে না বলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। আলোচনায় বাধা আসার আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, এই ঘটনার কারণে কূটনীতি কক্ষচ্যুত হবে না। তবে উদ্ধার অভিযানের সংবেদনশীলতার কথা উল্লেখ করে তিনি এই মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হননি।
এদিকে তেহরান দাবি করেছে, তারা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথের কাছে আমেরিকার একটি এ-১০ গ্রাউন্ড অ্যাটাক বিমান ভূপাতিত করেছে। যদিও এই দাবির নিরপেক্ষ সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। অন্যদিকে, মার্কিন সেনাবাহিনী ইরান সীমান্তের ওপর বিধ্বস্ত হওয়া একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল বিমান থেকে একজন ক্রু সদস্যকে সফলভাবে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। ওই চালক বর্তমানে মার্কিন হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তবে বিমানের দ্বিতীয় ক্রু সদস্যের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা এখনও অনিশ্চিত।
বর্তমান সংঘাতের আবহে ইরানের আকাশসীমায় মার্কিন বিমান ভূপাতিত হওয়ার এটিই প্রথম ঘটনা। একদিকে যখন তেহরান বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ করছে, অন্যদিকে তখন হোয়াইট হাউস ও মার্কিন সেনাবাহিনী পাইলটদের অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিরবতা পালন করছে। যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে চলতে থাকা আলোচনা যখন ইরানের অনড় অবস্থানে থমকে গেছে, ঠিক তখনই এই সামরিক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনাকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেল।