আমেরিকার বড় পদক্ষেপ, সোলাইমানির আত্মীয়সহ একাধিক ইরানি নাগরিকের বসবাসের অনুমতি বাতিল

আমেরিকার বড় পদক্ষেপ, সোলাইমানির আত্মীয়সহ একাধিক ইরানি নাগরিকের বসবাসের অনুমতি বাতিল

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের বর্তমান ও সাবেক সরকারের সঙ্গে যুক্ত অন্তত চারজন ইরানি নাগরিকের স্থায়ী আবাসন ও ভ্রমণ অনুমতি বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে। এই পদক্ষেপের আওতায় ইতিমধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের শীঘ্রই নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থানে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে বাগদাদ বিমান বন্দরে মার্কিন হামলায় নিহত কুদস বাহিনীর প্রধান জেনারেল কাসিম সোলাইমানির আত্মীয় হামিদা সোলাইমানি আফশার এবং তার মেয়েকে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা বর্তমানে হেফাজতে নিয়েছে। তাদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতির মেয়াদ শেষ করার পরই এই গ্রেপ্তারি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, আফশার সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা ও সামরিক সংগঠনের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছিলেন।

একই প্রক্রিয়ায় ইরানের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি লারিজানির কন্যা ফাতিমা আরদেশির-লারিজানি এবং তার স্বামী সাইয়্যেদ কালান্তার মোতামেদির ভ্রমণ অনুমতিও বাতিল করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। উল্লেখ্য, আলি লারিজানি গত মাসে এক বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমানে ফাতিমা ও তার স্বামী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন না।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পষ্ট করেছে যে, যারা সামাজিক মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন কিংবা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের মতো সংগঠনের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নীতির কথা মাথায় রেখে আফশারের স্বামীর ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত সরাসরি ইরানি সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর চাপ সৃষ্টির একটি বড় অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *