রিংয়ের বাইরে থেকে কৌশলী চাল, শিলিগুড়ির ভোটযুদ্ধে চার ‘কোচ’-এর লড়াই

শিলিগুড়ি ও মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে ছাব্বিশের ভোটযুদ্ধ এখন তুঙ্গে। বক্সিং রিংয়ের কোচের মতো পর্দার আড়াল থেকে প্রার্থীদের রণকৌশল সাজাচ্ছেন চার হেভিওয়েট নির্বাচনী এজেন্ট। শিলিগুড়ি কেন্দ্রে তৃণমূলের গৌতম দেবের হয়ে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন কুন্তল রায়। অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থী শংকর ঘোষের প্রধান সেনাপতি হিসেবে ময়দানে রয়েছেন অভিজ্ঞ নেতা অমিত জৈন। প্রচারের খুঁটিনাটি থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা—সবক্ষেত্রেই এই দুই এজেন্ট এখন প্রার্থীর ছায়াসঙ্গী।
মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্রেও লড়াই সমানে সমান। এখানে তৃণমূল প্রার্থী শংকর মালাকারের নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে ময়দানে নেমেছেন সুজিত দাস। পেশায় শিক্ষক সুজিতবাবু প্রার্থীর যাবতীয় প্রচার ও প্রশাসনিক অনুমতির কাজ তদারকি করছেন। পাল্টা জবাবে বিজেপির বিদায়ী বিধায়ক আনন্দময় বর্মনের হয়ে লড়াইয়ের ঘুঁটি সাজাচ্ছেন ব্যবসায়ী নিখিল রায়। উভয় শিবিরের এই কুশলীরাই এখন দলের প্রচারের প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছেন।
নির্বাচনী এজেন্টদের মূল কাজ এখন প্রার্থীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং প্রচারের খরচের হিসাব রাখা। পাশাপাশি বিপক্ষ শিবিরের দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে আইনি ও কৌশলগত আঘাত হানাই তাঁদের লক্ষ্য। ছাত্র-যুব থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করে জনমত গঠন করছেন তাঁরা। জেতার লক্ষ্য নিয়ে প্রার্থীরা ময়দানে থাকলেও, পর্দার ওপার থেকে জেতার রসদ জোগান দিচ্ছেন এই দুঁদে রাজনৈতিক কুশলীরাই।