ডোপিংয়ের তালিকায় বিশ্বসেরা ভারত: প্রশ্নের মুখে দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো

বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সের অধীনে থাকা অ্যাথলেটিক্স ইন্টিগ্রিটি ইউনিট (এআইইউ)-এর সাম্প্রতিক তালিকায় ডোপ-অপরাধী দেশের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ভারত। ১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ভারতের ১৪৮ জন ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড অ্যাথলিট নিষিদ্ধ ড্রাগ ব্যবহারের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। এই পরিসংখ্যান দীর্ঘদিন তালিকার শীর্ষে থাকা কেনিয়াকেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। ভারতের এই লজ্জাজনক অবস্থানে জাতীয় অ্যাথলেটিক্সের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক স্তরে বড়সড় ধাক্কা খেল।
তালিকায় দেশের বেশ কয়েকজন পরিচিত অ্যাথলিটের নাম রয়েছে। এদের মধ্যে ১০০ মিটার জাতীয় রেকর্ডের অধিকারী দ্যুতি চাঁদ, পারভেজ খান এবং স্প্রিন্টার ধনলক্ষ্মী শেখরের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। শুধুমাত্র ডোপিং নয়, নমুনা বিকৃতি এবং পরীক্ষায় ফাঁকি দেওয়ার মতো গুরুতর অপরাধেও অনেকে অভিযুক্ত হয়েছেন। ডোপিংয়ের এই ক্রমবর্ধমান হার ভারতের ন্যাশনাল অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সির (নাডা) কার্যকারিতা ও নজরদারি নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি করেছে।
গত কয়েক বছর ধরেই বিশ্ব অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সির রিপোর্টে ভারতের ডোপিং সংক্রান্ত পরিসংখ্যান উদ্বেগজনক ছিল। ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন এবং ভবিষ্যতে অলিম্পিকের আয়োজক হওয়ার লক্ষ্যের সামনে এই প্রতিবেদন ভারতের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। অধিকাংশ শীর্ষস্থানীয় অ্যাথলিট বর্তমানে বেসরকারি সংস্থা বা সামরিক বাহিনীর ওপর প্রশিক্ষণের জন্য নির্ভরশীল হলেও, অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সামগ্রিক নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।