চোপড়ায় প্রচারে ঝড় তুলছে তৃণমূলের মহিলা সংগঠন, ময়দানে হামিদুল-জায়া

চোপড়া বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের দামামা বাজার সাথে সাথেই রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে পৌঁছেছে। উত্তর দিনাজপুরের এই জনপদে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা সংগঠন গ্রামগঞ্জের অলিগলি চষে বেড়াচ্ছে। রবিবার লক্ষ্মীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন বুথে তৃণমূল প্রার্থী হামিদুল রহমানের সমর্থনে নিবিড় জনসংযোগ চালান তাঁর সহধর্মিণী মরিয়ম নেসা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করার লক্ষ্যে তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহিলাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন।
তৃণমূলের এই প্রচারে মূল হাতিয়ার হিসেবে উঠে আসছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, রূপশ্রী ও কন্যাশ্রীর মতো জনপ্রিয় জনমুখী প্রকল্পগুলো। মরিয়ম নেসা কেবল পথসভা বা বৈঠকেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে গিয়েও মহিলাদের সংগঠিত করছেন। স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে দিদির উন্নয়নমূলক কাজের ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অন্যদিকে, কেন্দ্র সরকারের রান্নার গ্যাসের আকাশছোঁয়া দাম নিয়েও তৃণমূলের মহিলা কর্মীরা সাধারণ ভোটারদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
শাসকদলের এই মহিলাময় প্রচারের মুখে বিরোধীরাও তাদের অস্তিত্ব রক্ষায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কংগ্রেস আগামীকাল থেকে তাদের মহিলা সংগঠন নামানোর কথা জানিয়েছে এবং বামেরা শিক্ষা ও কর্মসংস্থানকে ইস্যু করছে। বিজেপিও তাদের ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ ও নারী সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নেমেছে। তবে মাঠপর্যায়ে তৃণমূলের সুসংগঠিত প্রচারের ফলে চোপড়ায় নারীশক্তির এই লড়াই বর্তমানে এক আকর্ষণীয় মোড় নিয়েছে।