৮০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মোস এবার নৌসেনার হাতে! ভারতের নতুন অস্ত্র দেখে কপালে চিন্তার ভাঁজ পাকিস্তান ও চিনের

৮০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মোস এবার নৌসেনার হাতে! ভারতের নতুন  অস্ত্র দেখে কপালে চিন্তার ভাঁজ পাকিস্তান ও চিনের

ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরে নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপ নিল ভারতীয় নৌবাহিনী। নৌসেনার ভাণ্ডারে এবার যুক্ত হতে চলেছে ৮০০ কিলোমিটার পাল্লার বিধ্বংসী ‘ব্রহ্মোস’ সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল। আগে এই মিসাইলের পাল্লা ২৯০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও, দেশীয় প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির ফলে এখন এটি দ্বিগুণ দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ভারতের এই সামরিক প্রস্তুতি প্রতিবেশী দুই দেশ পাকিস্তান ও চিনের উদ্বেগ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই বর্ধিত পাল্লার ব্রহ্মোস মিসাইলগুলো ভারতের অত্যাধুনিক ‘বিশাখাপত্তনম ক্লাস’ ডেস্ট্রয়ার এবং ‘তলোয়ার ক্লাস’ ফ্রিগেটগুলোতে মোতায়েন করা হচ্ছে। শব্দের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ বেশি দ্রুতগতিসম্পন্ন (ম্যাক ৩) এই মিসাইল শত্রুপক্ষের রাডারে ধরা দেওয়া প্রায় আসাম্ভব। ফলে ভারতীয় যুদ্ধজাহাজগুলো এখন মাঝসমুদ্রে অবস্থান করেই করাচি বা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ যেকোনো কৌশলগত ঘাঁটি নিমেষের মধ্যে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা অর্জন করল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে পাকিস্তান বা চিনের কাছে এমন কোনো উন্নত নৌ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই যা ৮০০ কিলোমিটার দূর থেকে ধেয়ে আসা এই ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে পারে। ভারতের এই ‘স্ট্যান্ড-অফ’ আক্রমণ বা বহুদূর থেকে নিখুঁত নিশানায় হামলা করার সক্ষমতা দেখে আন্তর্জাতিক মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে ইসলামাবাদ। বিশেষ করে আরব সাগরে ভারতীয় নৌবাহিনীর সাম্প্রতিক আক্রমণাত্মক মেজাজ পাকিস্তান নৌসেনাকে চরম চাপে রেখেছে।

মোদী সরকারের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ প্রকল্পের অধীনে তৈরি এই ব্রহ্মোস মিসাইল এখন বিশ্ববাজারেও অন্যতম সেরা মারণাস্ত্র হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। এই আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য সম্পূর্ণভাবে ভারতের দিকে ঝুঁকে গেল। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, এই নতুন শক্তি অর্জনের পর শত্রুপক্ষ ভারতের বিরুদ্ধে যেকোনো হঠকারী পদক্ষেপ নেওয়ার আগে এখন দশবার ভাবতে বাধ্য হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *