ডবল চিন দূর করে মুখের সৌন্দর্য ফেরাতে রোজ মাত্র ১ মিনিটেই ম্যাজিক

মুখের সৌন্দর্য কেবল উজ্জ্বল ত্বকের ওপর নির্ভর করে না, বরং সঠিক গঠন ও তীক্ষ্ণ চোয়াল বা জ লাইন মুখকে আকর্ষণীয় করে তোলে। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে পেশি দুর্বল হওয়া এবং শরীরে কোলাজেন উৎপাদন কমে যাওয়ার ফলে থুতনির নিচে অতিরিক্ত মেদ জমে ‘ডবল চিন’-এর সৃষ্টি হয়। সাধারণত ৪০-৪৫ বছর বয়সের পর এই সমস্যা প্রকট হয়, যার ফলে মুখ ভারী দেখায় এবং বয়সের ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ব্যয়বহুল ট্রিটমেন্ট ছাড়াই নিয়মিত কিছু বিশেষ ব্যায়াম ও ম্যাসাজের মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
ডবল চিন কমাতে ঘাড় এবং চোয়ালের পেশির ব্যায়াম অত্যন্ত কার্যকর। সোজা হয়ে বসে মাথা ধীরে ধীরে দুই পাশে কাত করলে চোয়ালের নিচের পেশি প্রসারিত হয়। এছাড়া মাথা সামান্য উঁচু করে জিহ্বা সামনের দিকে বের করে রাখার ব্যায়াম ঘাড় ও থুতনির অংশকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। মেঝেতে শুয়ে হাঁটু ভাঁজ করে মাথা ৩-৫ সেকেন্ড তুলে রাখার অভ্যাসও ঘাড়ের পেশিকে মজবুত করে। প্রতিদিন অন্তত ৫-১০ বার এই প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করলে দ্রুত ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
ব্যায়ামের পাশাপাশি প্রতিদিন মাত্র এক মিনিটের ফেস ম্যাসাজ রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে ত্বক টানটান রাখতে সাহায্য করে। ফেসিয়াল অয়েল বা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে চিবুক থেকে কান পর্যন্ত এবং নিচ থেকে উপরের দিকে ঘাড় ম্যাসাজ করা উচিত। এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত জল পান এবং খাদ্যতালিকায় প্রোটিন ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখা প্রয়োজন। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং এই সহজ কৌশলগুলো মেনে চললে ডবল চিন কমে মুখমণ্ডল আরও তরুণ ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।