৪ মে-র পর মহাপ্রলয়ের ইঙ্গিত: কোচবিহারের সভা থেকে তৃণমূলকে মোদীর চরম হুঁশিয়ারি

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারের রাসমেলা ময়দান থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জনসভায় উপচে পড়া ভিড়ের সামনে তিনি ঘোষণা করেন, তৃণমূলের দুর্নীতির ‘পাপের ঘড়া’ পূর্ণ হয়েছে এবং এবার প্রতিটি অন্যায়ের বেছে বেছে হিসাব নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই রণংদেহি মেজাজ এবং সরাসরি ‘অ্যাকশন’-এর বার্তা রাজ্য রাজনীতির অন্দরে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, আগামী ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে এবং কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে রেহাই দেওয়া হবে না। বিশেষ করে নিয়োগ দুর্নীতি ও সন্দেশখালির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গরিবের লুঠ হওয়া টাকা কড়ায়-গণ্ডায় উদ্ধার করে সাধারণ মানুষের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। দুর্নীতিবাজদের একমাত্র ঠিকানা হবে জেলখানা—এমনই ‘গ্যারান্টি’ দিয়েছেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ৪ মে-র পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলোর নজিরবিহীন কোনো অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছেন মোদী। ‘বেছে বেছে’ হিসাব নেওয়ার শব্দবন্ধটি শাসকদলের অন্দরে অস্থিরতা বাড়িয়েছে। বাংলার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ঘোষণা আসলে এক নতুন সংঘাতের দামামা। এখন দেখার, ৪ মে-র নির্দিষ্ট সময়সীমার পর রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ কোন পথে মোড় নেয় এবং কাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।