ভোটের লড়াইয়ে আসাম কেরল ও পুদুচেরি কামাখ্যা মন্দিরে পুজো দিয়ে ময়দানে হিমন্ত

আজ বৃহস্পতিবার কড়া নিরাপত্তার বলয়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে আসাম, কেরল এবং পুদুচেরিতে। সকাল ৭টা থেকেই বুথে বুথে লম্বা লাইন চোখে পড়ছে। সকাল ৯টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, উত্তর-পূর্বের রাজ্য আসাম ভোটদানের হারে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। প্রথম দুই ঘণ্টায় আসামে ১৭.৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। অন্যদিকে কেরল ও পুদুচেরিতে ভোট পড়েছে যথাক্রমে ১৬.২৩ এবং ১৭.৪১ শতাংশ। আগামী পাঁচ বছর শাসনভার কার হাতে থাকবে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই ইভিএমে তার রায় দেবেন ভোটাররা।
কেরলে কি জয়ের হ্যাটট্রিক করবে বামেরা
কেরলের ১৪০টি আসনে ৮৯০ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করছেন প্রায় ২ কোটি ৭১ লক্ষ ভোটার। দক্ষিণের এই রাজ্যে গত কয়েক দশক ধরে ক্ষমতা পরিবর্তনের যে ধারা ছিল, তা ২০২১ সালে ভেঙে দিয়েছিল বামপন্থীদের এলডিএফ জোট। এবার তাদের সামনে হ্যাটট্রিকের সুযোগ। অন্যদিকে ১০ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ এবার কামব্যাক করতে মরিয়া। লড়াইয়ে বড় শক্তি হিসেবে উঠে আসতে চাইছে বিজেপিও। এবারের নির্বাচনে সবরীমালা মন্দিরের সোনাচুরি এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ মূল হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।
আসামে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে কংগ্রেস
আসামের ১২৬টি আসনে লড়াই মূলত বিজেপির আধিপত্য বজায় রাখা এবং কংগ্রেসের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার। ২০১৬ ও ২০২১ সালের জয়ের পর বিজেপি এবারও অনুপ্রবেশ ইস্যুকে সামনে রেখে টানা তৃতীয়বার সরকার গড়তে চাইছে। বিপরীতে বিরোধীরা সরব হয়েছে বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি এবং অপশাসনের অভিযোগে। উল্লেখ্য, এবার এই রাজ্যের ২২টি আসনে ঘাসফুল শিবির অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই করছে। এছাড়াও আম আদমি পার্টি এবং ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাও ভোটের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে ময়দানে রয়েছে।
পুদুচেরিতে বিজেপির জোট বনাম বিরোধী শক্তি
কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে ৩৩টি আসনের মধ্যে ৩০টিতে সরাসরি নির্বাচন হচ্ছে। এখানে বর্তমান শাসক দল বিজেপি ও এনআর কংগ্রেস জোট পুনরায় ক্ষমতা দখলের লড়াই চালাচ্ছে। বিপরীতে ডিএমকে ও কংগ্রেস জোটবদ্ধ হয়ে ময়দানে নেমেছে। তবে এই লড়াইয়ে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি।