বিশ্ব বক্স অফিসে রণবীরের ম্যাজিক, হলিউড ও চীনা ছবিকে টক্কর দিয়ে সেরা দশে ধুরন্ধর ২

আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’ বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে অভাবনীয় সাফল্যের ধারা বজায় রেখেছে। গত ১৯ মার্চ মুক্তির পর থেকেই রণবীর সিংয়ের দুর্ধর্ষ অ্যাকশন এবং সারা অর্জুনের সঙ্গে তাঁর অনবদ্য রসায়ন দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। মুক্তির তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এই ছবির জনপ্রিয়তা কমার কোনো লক্ষণ নেই, বরং একের পর এক নতুন রেকর্ড গড়ে সিনেমাটি মাইলফলক স্থাপন করছে। ২০২৬ সালের বিশ্বব্যাপী সর্বোচ্চ আয়ের নিরিখে প্রথম দশটি ছবির তালিকায় জায়গা করে নিয়ে ভারতীয় সিনেমার মুকুটে নতুন পালক যুক্ত করল এই ছবি।
বিশ্ব বক্স অফিসের তালিকায় বর্তমানে দশম স্থানে রয়েছে ‘ধুরন্ধর ২’। হলিউড এবং চীনা ব্লকবাস্টারগুলোর সঙ্গে সমানে লড়াই করে রণবীর-সারার এই ছবি এ পর্যন্ত ১৭৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে। তালিকার শীর্ষে রয়েছে চীনের ‘পেগাসুস ৩’ (৬৩৮ মিলিয়ন), হলিউডের সায়েন্স-ফিকশন ‘প্রোজেক্ট হেইল ম্যারি’ (৪২০ মিলিয়ন) এবং অ্যানিমেটেড মুভি ‘দ্য সুপার ম্যারিও গ্যালাক্সি’ (৩৭০ মিলিয়ন)। এছাড়া ‘হপার্স’, ‘স্ক্রিম ৭’ এবং ‘গোট’-এর মতো বিশ্বখ্যাত ছবিগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলতি বছরের অন্যতম সফল ভারতীয় ছবি হিসেবে নিজের আধিপত্য বিস্তার করেছে আদিত্য ধরের এই সৃষ্টি।
সিনে বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘ধুরন্ধর ২’ বিশ্বব্যাপী ১৭১০০ কোটি টাকার আয়ের লক্ষ্যে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। যদি এই লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করতে পারে, তবে চীনা বাজারের সাহায্য ছাড়াই এটি সর্বোচ্চ আয়প্রাপ্ত ভারতীয় সিনেমা হিসেবে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়বে। মুক্তির পর কিছু বিতর্ক সৃষ্টি হলেও তা সিনেমার জনপ্রিয়তায় কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। বরং তেরো থেকে তিরাশি—সব বয়সের দর্শকের উন্মাদনা প্রমাণ করছে যে আন্তর্জাতিক বাজারেও ভারতীয় বাণিজ্যিক ছবির গ্রহণযোগ্যতা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে খুব শীঘ্রই ছবিটি আরও বড় মাইলফলক স্পর্শ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।