হাড়ের জয়েন্টে অসহ্য যন্ত্রণা? শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে প্রকাশ পায় এই ২ মোক্ষম লক্ষণ

বর্তমান সময়ে অনিয়মিত জীবনযাপন এবং ত্রুটিপূর্ণ খাদ্যাভ্যাসের কারণে রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধি পাওয়া একটি জটিল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরে এই বিষাক্ত উপাদানের মাত্রা বেড়ে গেলে তা কেবল হাড়ের জয়েন্টে যন্ত্রণাই সৃষ্টি করে না, বরং কিডনিরও অপূরণীয় ক্ষতি করতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের আধিক্য ঘটলে প্রধানত দুটি লক্ষণ সবচেয়ে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়, যা সময়মতো শনাক্ত করা অত্যন্ত জরুরি।
প্রথম লক্ষণটি হলো জয়েন্টে তীব্র ব্যথা ও প্রদাহ। সাধারণত পায়ের বুড়ো আঙুল, গোড়ালি কিংবা হাঁটুর জয়েন্টে হঠাৎ করে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয়। ইউরিক অ্যাসিড ক্রিস্টাল বা স্ফটিকের আকারে হাড়ের সন্ধিস্থলে জমা হওয়ায় সংশ্লিষ্ট স্থানটি ফুলে যায় এবং লালচে ভাব দেখা দেয়। দীর্ঘমেয়াদে এই সমস্যা প্রকট হলে চলাফেরায় মারাত্মক বিঘ্ন ঘটতে পারে।
দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণটি হলো শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে শক্ত পিণ্ড বা ‘টোফি’ তৈরি হওয়া। রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে বেশি থাকলে কনুই, হাতের আঙুল কিংবা কানের লতির চামড়ার নিচে ছোট ছোট শক্ত দানার মতো মাংসপিণ্ড দেখা দিতে পারে। এছাড়া প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন বা প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়াও এই রোগের অন্যতম সংকেত। এই ধরনের কোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত রক্ত পরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।