জ্যোতিষ শাস্ত্রের পায়া রহস্য! সোনা থেকে লোহা কোন ধাতুর পায়ে জন্মালে বদলাবে আপনার ভাগ্য

নতুন অতিথির আগমনে প্রতিটি পরিবারে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। তবে আনন্দের পাশাপাশি সন্তানের ভবিষ্যৎ ও কর্মজীবন নিয়েও মা-বাবার মনে থাকে নানা কৌতূহল। জ্যোতিষশাস্ত্রে শিশুর জন্মের সময়কাল ও গ্রহের অবস্থানের ভিত্তিতে ‘পায়া’ বা স্তম্ভের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই পায়া থেকেই ইঙ্গিত পাওয়া যায় শিশুর স্বাস্থ্য, স্বভাব এবং পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নতির সম্ভাবনা সম্পর্কে।
জ্যোতিষ মতে, রূপার পায়া সবচেয়ে শুভ ও ভাগ্যশালী। কুণ্ডলীর ২, ৫ বা ৯ম ভাবে চন্দ্র থাকলে শিশু রূপার পায়ায় জন্মেছে বলে ধরা হয়। এই শিশুরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান হয় এবং এদের আগমনে পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে, তামা বা তাম্র পায়াও অত্যন্ত ইতিবাচক। ৩, ৭ বা ১০ম ভাবে চন্দ্র থাকলে শিশুর সাহস ও পরিশ্রমী মনোভাব ফুটে ওঠে, যা ভবিষ্যতে সমাজ ও কর্মক্ষেত্রে তাদের বিশেষ পরিচিতি এনে দেয়।
তবে সোনা এবং লোহার পায়ার ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন মত রয়েছে। কুণ্ডলীর ১, ৬ বা ১১তম ভাবে চন্দ্র অবস্থান করলে শিশু সোনার পায়ায় জন্মায়, যার ফলে জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে কিছুটা সংগ্রামের সম্মুখীন হতে হতে পারে। একইভাবে লোহা বা লৌহ পায়াকে সংঘর্ষের প্রতীক মনে করা হয়। চন্দ্র যদি ৪, ৮ বা ১২তম ভাবে থাকে, তবে তা শিশুর স্বাস্থ্য বা পরিবারের আর্থিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। জ্যোতিষশাস্ত্রের এই প্রাচীন গণনা মূলত চন্দ্রের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করেই শিশুর জীবনের সম্ভাব্য পথের দিশা দেয়।