চশমা কি চিরতরে বিদায় নিতে চান? ল্যাসিক সার্জারির আগে এই ৮টি তথ্য না জানলে হতে পারে বিপদ

চশমার ঝামেলা এড়াতে বর্তমানে ল্যাসিক সার্জারির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। বিজ্ঞাপন দেখে অনেকেই ‘এক দিনেই মুক্তি’র আশায় এই লেজার অস্ত্রোপচারের দিকে ঝুঁকছেন। তবে ল্যাসিক সবার জন্য নিরাপদ নয়। বিশেষ করে যাঁদের চোখের পাওয়ার গত এক বছর ধরে স্থিতিশীল নয় অথবা যাঁদের কর্নিয়া পাতলা, তাঁদের জন্য এই সার্জারি হিতে বিপরীত হতে পারে। এমনকি গর্ভাবস্থায় বা অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থাকলেও চিকিৎসকরা ল্যাসিক এড়ানোর পরামর্শ দেন।
অস্ত্রোপচারের আগে কর্নিয়াল টপোগ্রাফি ও রেটিনাল পরীক্ষার মাধ্যমে চোখের অভ্যন্তরীণ গঠন যাচাই করা বাধ্যতামূলক। বিশেষজ্ঞ চক্ষু চিকিৎসকদের মতে, ল্যাসিক কোনো জাদুকরী সমাধান নয়; এটি কেবল বর্তমান দৃষ্টিত্রুটি সংশোধন করে। ৪০ বছর বয়সের পর স্বাভাবিকভাবে আসা ক্ষীণদৃষ্টি বা ‘প্রেসবায়োপিয়া’ রোধে এটি কার্যকর নয়। ভুল ধারণা বা অপর্যাপ্ত পরীক্ষা ভবিষ্যতে দৃষ্টিশক্তিকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
যাঁদের চোখের পাওয়ার অতিরিক্ত বেশি বা কর্নিয়া পাতলা, তাঁদের জন্য পিআরকে (PRK) বা আইসিএল (ICL) লেন্স প্রতিস্থাপনের মতো বিকল্প আধুনিক পদ্ধতিও রয়েছে। বর্তমানে স্মাইল বা ফেমটো-ল্যাসিকের মতো ‘ফ্ল্যাপবিহীন’ প্রযুক্তির কারণে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছে। তবে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিজ্ঞাপনের ফাঁদে না পড়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ এবং সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। ওনলি তখনই ল্যাসিক করান যখন আপনার চোখ দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকার নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে।