“বছরে ২ কোটি চাকরি কোথায়?’ ‘যুবসাথী’ নিয়ে মোক্ষম জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

“বছরে ২ কোটি চাকরি কোথায়?’ ‘যুবসাথী’ নিয়ে মোক্ষম জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যে বেকারত্ব দূরীকরণ এবং কর্মসংস্থান ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি এক জনসভায় রাজ্য সরকারের ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের সাফল্য তুলে ধরার পাশাপাশি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বাংলা দেশের মধ্যে উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

কেন্দ্রের কর্মসংস্থান নীতি নিয়ে প্রশ্ন

মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দলের প্রতিশ্রুতি মনে করিয়ে দিয়ে বলেন যে, বছরে ২ কোটি চাকরির কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। বিশেষ করে রেল এবং প্রতিরক্ষা দপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে শূন্যপদ পড়ে থাকা নিয়ে তিনি উষ্মা প্রকাশ করেন। তার মতে, রেলে গ্যাংম্যান থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিভাগে প্রচুর পদ খালি থাকলেও সেগুলো পূরণে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

বাংলার সাফল্য ও যুবসাথী প্রকল্প

রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে, যুবসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে সহায়তা করা হচ্ছে। তার দাবি অনুযায়ী, বর্তমান সরকারের আমলে বাংলায় প্রায় ২ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও বিশ্বব্যাপী বেকারত্ব সমস্যার মধ্যেও বাংলায় বেকারত্বের হার প্রায় ৪০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক লড়াই ও উন্নয়ন

সামনে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক সমীকরণকে সামনে রেখে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, বিরোধীরা কেবল বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু কাজের বেলায় তারা পিছিয়ে। তিনি জানান, রাজ্য সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যেও সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে আপসহীন। স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং বেকার যুবক-যুবতীদের স্বাবলম্বী করতে রাজ্য সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলেও তিনি দাবি করেন।

একঝলকে

  • রাজ্যে ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কমেছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি।
  • যুবসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণদের সহায়তা অব্যাহত।
  • রেল ও প্রতিরক্ষা বিভাগে শূন্যপদ না মেটানোয় কেন্দ্রের সমালোচনা।
  • বাংলায় প্রায় ২ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার দাবি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *