পাণ্ডবেশ্বরে ভোটের প্রচারে শ্লীলতাহানির অভিযোগ, গ্রেপ্তার বিজেপি যুবনেতা

পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভোট চাইতে গিয়ে এক মহিলা ও তাঁর নাবালিকা কন্যার শ্লীলতাহানির অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বিজেপি যুব মোর্চার আহ্বায়ক প্রহ্লাদ সাউকে। শুক্রবার রাতের এই ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে। ধৃত নেতার দাবি, রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হয়েছেন তিনি।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও অভিযোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে পাণ্ডবেশ্বরের একটি বাড়িতে বিজেপির হয়ে ভোট প্রচারে যান প্রহ্লাদ সাউ ও তাঁর অনুগামীরা। অভিযোগকারী মহিলার দাবি, তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার কথা জানানোয় তাঁদের ওপর চড়াও হন বিজেপি কর্মীরা। বচসা চলাকালীন ওই মহিলা ও তাঁর নাবালিকা মেয়ের শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। বাধা দিতে গেলে মহিলার স্বামীকেও মারধর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতেই পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ অভিযুক্ত যুবনেতাকে গ্রেপ্তার করে।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে তীব্র বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, প্রচারে গিয়ে নারীদের হেনস্থা করা বিজেপির সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করা হয়েছে যে, সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যে মামলায় তাঁদের নেতাকে ফাঁসানো হয়েছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ঘটনা জনমানসে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এক ঝলকে
- পাণ্ডবেশ্বরে ভোট প্রচারে গিয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ধৃত বিজেপি যুব মোর্চার আহ্বায়ক প্রহ্লাদ সাউ।
- তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করায় ওই মহিলা ও তাঁর নাবালিকা কন্যাকে হেনস্থার অভিযোগ।
- বাধা দিতে গিয়ে আক্রান্ত মহিলার স্বামী, ঘটনার তদন্তে নেমে শুক্রবার রাতেই পদক্ষেপ নেয় পুলিশ।
- রাজনৈতিক চক্রান্তের পালটা অভিযোগ তুলে পুরো ঘটনাটি অস্বীকার করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।