অজিত আগরকরের মেয়াদ বাড়াচ্ছে বিসিসিআই, ২০২৭ বিশ্বকাপেও কি দায়িত্বে থাকছেন তিনি?

অজিত আগরকরের মেয়াদ বাড়াচ্ছে বিসিসিআই, ২০২৭ বিশ্বকাপেও কি দায়িত্বে থাকছেন তিনি?

ভারতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক কমিটির প্রধান হিসেবে অজিত আগরকরের ভবিষ্যৎ নিয়ে চলা দীর্ঘ টালবাহানার অবসান হতে চলেছে। ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে আগরকরের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি বাড়ানোর পথে হাঁটছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। চলতি বছরের জুন মাসেই তাঁর বর্তমান মেয়াদের সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, তাঁর অধীনে দলের ধারাবাহিক সাফল্যের পুরস্কার হিসেবেই বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে খবর। বিসিসিআই সূত্রের খবর অনুযায়ী, আইপিএল চলাকালীনই আগরকরের সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনার প্রক্রিয়া সেরে ফেলবেন কর্মকর্তারা।

সাফল্য ও আগামীর চ্যালেঞ্জ

আগরকরের মেয়াদে ভারতীয় দল সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর হাত ধরে ভারত টানা দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় এবং ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শিরোপা জেতার গৌরব অর্জন করেছে। বিশেষ করে দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের বিদায়লগ্নে তরুণ প্রতিভাদের সুযোগ দিয়ে একটি মসৃণ ‘ট্র্যানজিশন পিরিয়ড’ উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর সাহসী ভূমিকা বোর্ডকে সন্তুষ্ট করেছে। তবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে লাল বলের ক্রিকেটে দলের পারফরম্যান্স এবং কিছু সিনিয়র ক্রিকেটারের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ওঠা বিতর্কগুলো সামলানোই হবে তাঁর আগামী দিনের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

নির্বাচক প্রধান হিসেবে আগরকরের মেয়াদ বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় ক্রিকেটে স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০২৭ সালের মেগা টুর্নামেন্টের আগে দলের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চায় বোর্ড। একদিকে মহম্মদ সামির মতো অভিজ্ঞদের সুযোগ দেওয়া নিয়ে বিতর্ক, অন্যদিকে হার্দিক পান্ডিয়া বা তরুণ বৈভবদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ—সব মিলিয়ে আগরকরের পরবর্তী কার্যকাল হবে অত্যন্ত কণ্টকাকীর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ।

এক ঝলকে

  • জুন মাসে বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও অজিত আগরকরের ওপরই পুনরায় আস্থা রাখছে বিসিসিআই।
  • তাঁর অধীনে ভারত দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের সাফল্য পেয়েছে।
  • ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে পাখির চোখ করে নির্বাচক মণ্ডলীতে ধারাবাহিকতা রাখতে চায় বোর্ড।
  • আইপিএল চলাকালীনই চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা ও নতুন মেয়াদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *