আড়াইশো টাকায় ঝুলিভর্তি ওষুধ, ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবায় মুগ্ধ হয়ে দেশ ছাড়ার ডাক দিলেন ইউরোপীয় তরুণী

আড়াইশো টাকায় ঝুলিভর্তি ওষুধ, ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবায় মুগ্ধ হয়ে দেশ ছাড়ার ডাক দিলেন ইউরোপীয় তরুণী

পর্তুগাল থেকে কেরালা ভ্রমণে এসে ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবার সহজলভ্যতা দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন পঁচিশ বছর বয়সী পর্যটক ইনেস ফারিয়া। কেরালার মুনরো দ্বীপে ভ্রমণকালীন সময়ে হঠাৎ প্রচণ্ড কাশি ও গলা ব্যথায় আক্রান্ত হন তিনি। চিকিৎসার প্রয়োজনে স্থানীয় একটি ওষুধের দোকান থেকে সিরাপ ও তিন প্যাকেট ট্যাবলেট কেনেন এই তরুণী। কিন্তু বিল মেটাতে গিয়ে মাত্র ২৫২ টাকা শুনে স্তম্ভিত হয়ে যান ইনেস, কারণ ইউরোপের দেশগুলোতে একই ধরনের ওষুধের দাম কয়েক গুণ বেশি।

সাশ্রয়ী চিকিৎসায় বৈশ্বিক বিস্ময়
ইনেস তার এই অভিজ্ঞতার কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করার পর তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওতে তিনি জানান, ভারতীয় চিকিৎসার এই অবিশ্বাস্য স্বল্পমূল্য দেখে তিনি নিজের দেশে না ফিরে সারাজীবন ভারতেই থেকে যেতে চান। ইউরোপীয় দেশগুলোর তুলনায় ভারতের ওষুধ শিল্পের এই আকাশ-পাতাল পার্থক্য বিশ্বজুড়ে ভারতের সাশ্রয়ী চিকিৎসা পরিকাঠামোকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, ইনেস যদি সরকারি হাসপাতালে যেতেন তবে এই ওষুধগুলো সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পেতে পারতেন। আবার অনেকে ভারতীয় ঘরোয়া টোটকার মহিমা তুলে ধরে আদা, গোলমরিচ ও মধুর সংমিশ্রণের পরামর্শ দিয়েছেন। এই ঘটনাটি বিশ্ববাজারে ভারতের জেনেরিক ওষুধের প্রভাব এবং পর্যটকদের জন্য ভারতের চিকিৎসা ব্যবস্থার ইতিবাচক দিকটি জোরালোভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

View this post on Instagram

A post shared by Ines Faria | Solo Traveler (@lost.with.ines)

এক ঝলকে

  • পর্তুগিজ পর্যটক ইনেস ফারিয়া কেরালার একটি ওষুধের দোকানে মাত্র ২৫২ টাকায় প্রয়োজনীয় ওষুধ পেয়ে বিস্মিত হয়েছেন।
  • ইউরোপের তুলনায় ভারতে ওষুধের দাম অত্যন্ত কম হওয়ায় তিনি চিরস্থায়ীভাবে ভারতে বসবাসের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
  • ভারতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবার এই স্বল্পমূল্য ও সহজলভ্যতা বর্তমানে ইন্টারনেটে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
  • ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে ভারতের সুলভ স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এবং জেনেরিক ওষুধের সক্ষমতাকে নতুন করে প্রমাণ করেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *