সরকারি শিক্ষিকা হতেই বদলে গেল রূপ, স্বামীর সাথে থাকতে ১ কোটি টাকা চাইলেন স্ত্রী!

কানপুরের নৌবস্তা এলাকার বাসিন্দা বজরং ভাদোরিয়া ২০২০ সালে গাজিয়াবাদের লক্ষিতা সিংয়ের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর লক্ষিতা সরকারি শিক্ষিকা হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে বজরং তাকে দামী কোচিং সেন্টারে ভর্তি করান এবং পড়াশোনার যাবতীয় খরচ বহন করেন। স্বামীর ঐকান্তিক চেষ্টায় লক্ষিতা শেষ পর্যন্ত দিল্লিতে একজন সরকারি স্কুল শিক্ষিকা হিসেবে নিযুক্ত হন। তবে কর্মজীবনে প্রবেশের পরপরই পারিবারিক সম্পর্কের সমীকরণ নাটকীয়ভাবে বদলে যেতে শুরু করে।
সাফল্যের পরেই ভাঙন ও বিচিত্র দাবি
চাকরি পাওয়ার পর থেকেই লক্ষিতা স্বামীর সাথে দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করেন এবং একপর্যায়ে বাপের বাড়িতে চলে যান। স্বামীর অভিযোগ অনুযায়ী, লক্ষিতা তাকে সরাসরি জানান যে বজরংয়ের বর্তমান সামাজিক ও আর্থিক অবস্থান তার যোগ্য নয়। এমনকি পুনরায় একসাথে সংসার করার শর্ত হিসেবে তিনি স্বামীর কাছে নগদ এক কোটি টাকা দাবি করেন। এই অভাবনীয় দাবিতে হতভম্ব স্বামী শেষ পর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।
হুমকি ও আইনি লড়াইয়ের পথে দম্পতি
ভুক্তভোগী স্বামী বজরংয়ের দাবি অনুযায়ী, কেবল লক্ষিতাই নন, তার শ্বশুরবাড়ির সদস্যরাও তাকে ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছেন। টাকা না দিলে তাকে এবং তার পরিবারকে যৌতুক নির্যাতনের মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বজরং তার স্ত্রী, শ্বশুর ও শ্যালকদের বিরুদ্ধে নৌবস্তা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে, যা বর্তমানে স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
এক ঝলকে
- বিয়ের পর স্বামীর সহায়তায় পড়াশোনা করে সরকারি শিক্ষিকা পদে চাকরি পান লক্ষিতা।
- কর্মজীবনে যোগ দিয়েই স্বামীর আর্থিক ‘যোগ্যতা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বাপের বাড়িতে চলে যান তিনি।
- পুনরায় দাম্পত্য শুরু করতে স্বামীর কাছে ১ কোটি টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে।
- স্ত্রীর বিরুদ্ধে হুমকি ও অর্থ দাবির অভিযোগে কানপুর পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন স্বামী বজরং।