পরকীয়ার সন্দেহে নারকীয় উল্লাস! প্রেমিকার গোপনাঙ্গে বোতল ঢোকাল প্রেমিক, অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনায় স্তম্ভিত দেশ

পরকীয়ার সন্দেহে নারকীয় উল্লাস! প্রেমিকার গোপনাঙ্গে বোতল ঢোকাল প্রেমিক, অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনায় স্তম্ভিত দেশ

ছত্তিশগড়ের অম্বিকাপুরে দীর্ঘ ৬ বছরের প্রেম পরিণতি পেল এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে। পরকীয়ার সন্দেহে অন্ধ হয়ে নিজের প্রেমিকাকে পাশবিক নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করেছে ঘাতক প্রেমিক মিঠুন ওরফে পান্ডা। গত ৩ এপ্রিল অম্বিকাপুরের মহামায়া প্রবেশদ্বারের কাছ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ওই মহিলার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ আট দিন পলাতক থাকার পর চিরমিরি থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নৃশংসতার চরম সীমা ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে আসা তথ্য শুনে অভিজ্ঞ তদন্তকারীরাও শিউরে উঠেছেন। ঘাতক মিঠুন প্রথমে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে এবং আক্রোশ মেটাতে তাঁর যৌনাঙ্গে একটি প্লাস্টিক বোতল ঢুকিয়ে দেয়। পাশবিক হামলায় নিহতের ১২টি পাঁজরের হাড় এবং মাথার তিনটি হাড় ভেঙে যায়। শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, বিশেষ করে হৃদপিণ্ড ও ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর শ্বাসরোধ করে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

অন্ধ সন্দেহ ও নির্মম পরিণতি তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত ও নিহত মহিলা দুজনেই ভাঙারি কেনাবেচার কাজ করতেন। মহিলার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে ইদানীং মিঠুন সন্দেহ করছিল যে ওই মহিলা অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছেন। এই সন্দেহের বশেই সে ঠান্ডা মাথায় এমন ভয়াবহ খুনের পরিকল্পনা করে। ঘটনার পর সে নাগপুর হয়ে চিরমিরিতে পালিয়ে গিয়ে ইটের ভাটায় শ্রমিকের কাজ শুরু করেছিল।

পুলিশি তৎপরতা ও সামাজিক প্রভাব পুলিশের বিশেষ টিম গঠন ও পুরস্কার ঘোষণার পর চিরমিরি হাসপাতাল চত্বর থেকে মিঠুনকে আটক করা হয়। জেরার মুখে সে নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে এবং পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে অপরাধের পুনর্নির্মাণ সম্পন্ন করেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্যান্ডেল মার্চ ও স্বাক্ষর অভিযানের মাধ্যমে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনাটি ব্যক্তিগত আক্রোশ ও অবিশ্বাসের এক চরম অমানবিক উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে।

এক ঝলকে

  • ছত্তিশগড়ের অম্বিকাপুরে পরকীয়ার সন্দেহে প্রেমিকাকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা।
  • ধর্ষণের পর গোপনাঙ্গে বোতল প্রবেশ এবং অমানুষিক পিটুনিতে ১২টি পাঁজরের হাড় ভেঙে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
  • ঘটনার আট দিন পর মূল অভিযুক্ত মিঠুন ওরফে পান্ডাকে চিরমিরি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
  • দীর্ঘ ৬ বছরের সম্পর্কের মাঝে অন্ধ সন্দেহের জেরে এই নৃশংস খুনের পরিকল্পনা করে আসামী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *