ভোটের বাজারে আগুনের ছোঁয়া মুরগির মাংসে, কর্মীদের পাতে চিকেন তুলে দিতে কালঘাম ছুটছে নেতাদের!

ভোটের বাজারে আগুনের ছোঁয়া মুরগির মাংসে, কর্মীদের পাতে চিকেন তুলে দিতে কালঘাম ছুটছে নেতাদের!

নির্বাচনী উত্তাপ যত বাড়ছে, ততই চড়া হচ্ছে মুরগির মাংসের বাজার। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারের অন্যতম অস্ত্র হলো কর্মীদের ভূরিভোজ করানো, আর সেই ভোজের প্রধান অনুষঙ্গই হলো চিকেন। তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মুরগির মাংসের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন প্রার্থীরা। আগে যেখানে সস্তায় কর্মীদের মন জয় করা যেত, এখন সেই মুরগিই নির্বাচনী বাজেটে বড় ধরনের গর্ত তৈরি করছে।

রেকর্ড হারে ঊর্ধ্বমুখী দাম

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত কয়েকদিনের ব্যবধানে কেজি প্রতি মুরগির দাম ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। পাইকারি বিক্রেতাদের মতে, নির্বাচনের কারণে সব কটি রাজনৈতিক দল একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ মাংসের বায়না দেওয়ায় বাজারে চাহিদার তুলনায় জোগান কমেছে। ফলে তৈরি হয়েছে এই কৃত্রিম সংকট। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে অনেক এলাকায় পাইকারি বাজারেই স্টক ফুরিয়ে যাচ্ছে, যা খুচরো বাজারে দাম আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বাজেট সামলাতে হিমশিম রাজনৈতিক দলগুলো

খাসির মাংস অনেক আগেই সাধারণ বাজেটের বাইরে চলে গিয়েছিল, কিন্তু এখন মুরগিও নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন জেলা স্তরের নেতারা। প্রতিদিন কয়েকশো কর্মীর জন্য রান্নার আয়োজনে আগের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। অনেক প্রার্থী বাধ্য হয়ে মেনুতে মাংসের পরিমাণ কমিয়ে সবজি বা ডিমের ঝোল রাখার কথা ভাবছেন। এর ফলে প্রচারের ময়দানে কর্মীদের উদ্দীপনা বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এক ঝলকে

  • গত কয়েকদিনে মুরগির মাংসের দাম কেজি প্রতি ৩০% থেকে ৪০% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • রাজনৈতিক দলগুলোর বিপুল চাহিদার কারণে বাজারে মাংসের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।
  • নির্বাচনী বাজেট নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেক প্রার্থী মেনু থেকে মাংস বাদ দেওয়ার কথা ভাবছেন।
  • মুরগির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোয় কর্মীদের চাঙ্গা রাখা নেতাদের কাছে বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *