ফের বিস্ফোরণে কাঁপল ইরান! “টিকটিক করছে ঘড়ি, সময় নেই তেহরানের হাতে”, রহস্য বাড়িয়ে ট্রাম্পের হুঙ্কার

প্রায় দুই সপ্তাহের আপেক্ষিক শান্তির পর ফের বিকট বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে ইরান। বুধবার ইরান ও আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা দিলেও এই আকস্মিক বিস্ফোরণ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়িয়েছে। যদিও ইসরায়েল এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তবুও বিস্ফোরণের উৎস ও কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। ফলে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানে সাধারণ মানুষের মধ্যে ফের বড় ধরনের সংঘাতের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ট্রাম্পের আলটিমেটাম ও পরমাণু জল্পনা
বিস্ফোরণের রেশ কাটতে না কাটতেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি লিখেছেন যে ইরানের সময় ফুরিয়ে আসছে এবং ঘড়ির কাঁটা এখন দ্রুত দৌড়াচ্ছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, প্রথাগত যুদ্ধেই ইরানের সামরিক শক্তি ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে ইরানের ওপর পরমাণু হামলার আশঙ্কা নাকচ করে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, কোনো দেশেরই পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের অধিকার থাকা উচিত নয় এবং আমেরিকা প্রথাগত যুদ্ধেই তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে।
শান্তি বৈঠকের অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক চাপ
ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকের তোড়জোড় চললেও সেখানে ইরানের অংশগ্রহণ এখন অনিশ্চিত। তেহরান এখনো এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি, যা মার্কিন প্রশাসনকে ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। কূটনৈতিক মহলের ধারণা, ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে ট্রাম্প প্রশাসন দেশটির ওপর নতুন করে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ছক কষছে। এই দ্বিমুখী চাপের ফলে একদিকে যেমন যুদ্ধের সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে, অন্যদিকে ইরানের ভেঙে পড়া অর্থনীতি আরও বড় সংকটের মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এক ঝলকে
ইসলামাবাদে প্রস্তাবিত শান্তি বৈঠকে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
ইরানে রহস্যময় বিস্ফোরণের শব্দ ঘিরে নতুন করে যুদ্ধের আতঙ্ক শুরু হয়েছে।
ইসরায়েল এই হামলায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।
ট্রাম্প পারমাণবিক হামলার সম্ভাবনা নাকচ করলেও ইরানকে ‘সময় ফুরিয়ে আসার’ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।