নবান্নে শুভেন্দুর ঠাসা কর্মসূচি, প্রথম দিনেই মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সাংগঠনিক তৎপরতা

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসেই প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার নবান্নে তাঁর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে, যা নতুন সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ মহলে রদবদল এবং নতুন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের রূপরেখা নিয়ে আজই বড় কোনো সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে বৈঠক ও মন্ত্রিসভার প্রথম সভা
এ দিন প্রশাসনিক কাজের ব্যস্ততা শুরুর আগেই সকালে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে একটি রুদ্ধদ্বার সাংগঠনিক বৈঠকে বসছেন শুভেন্দু অধিকারী। সরকার ও দলের মধ্যে সমন্বয় রক্ষা করাই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য বলে জানা গিয়েছে। এরপর বেলা ১২টায় নবান্নে তাঁর নেতৃত্বে নতুন বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকেই রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরের কাজের অগ্রাধিকার এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রাথমিক রোডম্যাপ তৈরি হতে পারে।
প্রশাসনিক তৎপরতা ও জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার
মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর বিকেল পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর আরও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা রয়েছে। নবান্নের পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে এই বৈঠকগুলিতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা এবং বকেয়া উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে আলোচনা হবে। দিনের শেষভাগে, বিকেল ৪টে নাগাদ নবান্নেই বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠকে মিলিত হবেন মুখ্যমন্ত্রী। নতুন বিধায়কদের নিজ নিজ এলাকায় কাজের ধরন এবং মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার বিষয়ে তিনি বিশেষ নির্দেশিকা দিতে পারেন। প্রথম দিনেই মুখ্যমন্ত্রীর এই ঠাসা কর্মসূচি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, সময় নষ্ট না করে দ্রুত গতিতে রাজ্যের প্রশাসনিক কাজকে সচল করতে বদ্ধপরিকর নতুন সরকার।