নতুন বিতর্কে নাম জড়াতে চান না নবনীতা! সায়নী-জীতু দ্বন্দ্বে টলিউডে তোলপাড়

নতুন বিতর্কে নাম জড়াতে চান না নবনীতা! সায়নী-জীতু দ্বন্দ্বে টলিউডে তোলপাড়

টলিউড অভিনেতা জীতু কমল এবং তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষের মধ্যকার পুরোনো দ্বন্দ্ব নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জীতু দাবি করেন, সায়নীর কাছ থেকে তিনি একসময় ‘হুমকি’ বার্তা পেয়েছিলেন। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই তারকার মধ্যে যখন জোর বিবাদ শুরু হয়েছে, ঠিক তখনই এই ঘটনাক্রমে নাম জড়িয়েছে জীতুর প্রাক্তন স্ত্রী তথা অভিনেত্রী নবনীতা দাসের। মূলত ২০২২ সালে জীতু-নবনীতার সঙ্গে ঘটে যাওয়া একটি পথ দুর্ঘটনা এবং নিমতা থানায় হেনস্থার শিকার হওয়ার ঘটনার সূত্র ধরেই বর্তমান বিতর্কের সূত্রপাত, যা টলিপাড়ায় নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।

বিতর্ক থেকে দূরে থাকার বার্তা নবনীতার

তিন বছর আগের সেই পুরোনো ঘটনার জেরে সায়নী ও জীতুর মধ্যে সংঘাত তীব্র হলেও, নিজেকে এই পুরো বিতর্ক থেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখতে চান নবনীতা দাস। অভিনেত্রীর স্পষ্ট বক্তব্য, বিগত কয়েক বছর ধরে জীতুর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল না এবং সায়নীর সঙ্গেও তাঁর ব্যক্তিগত কোনো বৈরিতা নেই। এমনকি মাঝরাতে জীতুর ডাকে সাড়া দিয়ে দেখা করার পর নবনীতা স্বয়ং সায়নী ঘোষের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন। সায়নীও তাঁকে এই ঝামেলা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বলে নবনীতা জানিয়েছেন।

বিচ্ছেদ ও টলিউডের অন্দরের সমীকরণ

এই বিতর্কের আবহে নবনীতা তাঁর ও জীতুর বিবাহবিচ্ছেদের পরের কিছু অজানা অধ্যায়ও সামনে এনেছেন। তিনি জানান, বিচ্ছেদের কঠিন সময়ে তিনি সায়নী ঘোষ এবং চিত্রনাট্যকার লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত কাদা ছোঁড়াছুড়িতে জড়াতে রাজি নন তিনি। নবনীতার মতে, শিল্পীদের নিজেদের মধ্যে এই ধরনের সংঘাত এবং তাতে রাজনীতির রঙ লাগা সামগ্রিকভাবে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই অতীত ভুলে আপাতত নিজের কাজ ও অভিনয় জীবন নিয়েই শান্তিতে থাকতে চান এই অভিনেত্রী।

এক ঝলকে

  • অভিনেতা জীতু কমলকে সায়নী ঘোষের ‘হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে টলিউডে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
  • এই সংঘাতের জেরে ২০২২ সালে জীতু ও তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী নবনীতার পথ দুর্ঘটনা এবং থানা হেনস্থার পুরোনো প্রসঙ্গটি আবার সামনে এসেছে।
  • প্রাক্তন স্বামী জীতুর ডাকে মাঝরাতে দেখা করলেও সায়নী ঘোষের সঙ্গে কথা বলে বিতর্ক থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নবনীতা দাস।
  • টলিউডের অন্দরে শিল্পীদের এই সংঘাত এবং রাজনৈতিক প্রভাব ইন্ডাস্ট্রির পরিবেশ নষ্ট করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *