১ জুন থেকেই মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৩০০০! কীভাবে আবেদন? জানুন খুঁটিনাটি

রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে বড়সড় পদক্ষেপ নিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৯ দিনের মাথায় সোমবার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ক্যাবিনেট বৈঠকের পর এই ঐতিহাসিক ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল জানিয়েছেন, আগামী ১ জুন থেকেই উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের অর্থ ঢুকতে শুরু করবে। সরকারের এই দ্রুত সিদ্ধান্তে স্বভাবতই খুশির হাওয়া রাজ্যের মহিলা মহলে।
কারা পাবেন এবং আবেদনের প্রক্রিয়া
প্রকল্পের আওতায় কারা আসবেন, তা নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্ত সংশয় দূর করেছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী। ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে তিনি স্পষ্ট জানান, রাজ্যের যে সমস্ত মহিলারা এতদিন পর্যন্ত পূর্বতন সরকারের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে আসছিলেন, তাঁরা সকলেই নতুন এই ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হবেন। অর্থাৎ, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বর্তমান উপভোক্তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত (ডিবিটি) করা হবে।
আর্থিক স্বনির্ভরতা ও সামাজিক প্রভাব
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রামীণ ও শহরের প্রান্তিক পরিবারের নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন আরও সুদৃঢ় হবে। মাসে ৩,০০০ টাকার এই আর্থিক সহায়তা মহিলাদের দৈনন্দিন সংসার পরিচালনা এবং নিজেদের ছোটখাটো প্রয়োজন মেটাতে বড় ভূমিকা নেবে। তবে এক ধাক্কায় এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দের ফলে রাজ্যের রাজকোষের ওপর কতটা চাপ পড়বে এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ কীভাবে সমন্বয় করা হবে, সেটাই এখন দেখার। সোমবারের এই গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবিনেট বৈঠকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ছাড়াও সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তম পে কমিশন চালু করা এবং ধর্মীয় ভাতার মতো একাধিক জনকল্যাণমুখী বিষয়েও সদর্থক আলোচনা হয়েছে।
এক ঝলকে
নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পলের ঘোষণা অনুযায়ী, সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই টাকা প্রদান করা হবে।
নতুন বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় ক্যাবিনেট বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১ জুন থেকে শুরু হচ্ছে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্প।
এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের যোগ্য মহিলারা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।
পূর্বতন সরকারের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের সমস্ত বর্তমান উপভোক্তারাই এই নতুন সুবিধা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।