বর্ষার প্রস্তুতিতে নয়া সরকার, নিকাশি ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যে আগামী ৮ জুন বর্ষা প্রবেশ করতে পারে বলে পূর্বাভাস মিলেছে। এই আগাম আবহাওয়ার বার্তাকে মাথায় রেখেই কোমর বেঁধে নামছে নবগঠিত রাজ্য সরকার। বর্ষার আগমনী বার্তার সাথে সাথেই রাজ্যজুড়ে যাতে কোনো জলযন্ত্রণা বা বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, তার জন্য আগাম সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। বিশেষ করে শহর ও শহরতলীর নিকাশি ব্যবস্থার ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে এবার।
মুখ্যমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক ও নিকাশি পর্যালোচনা
বর্ষার মোকাবিলায় রাজ্যের নিকাশি ব্যবস্থার বর্তমান পরিকাঠামো ঠিক কী অবস্থায় রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ময়দানে নামছেন। সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও মন্ত্রীদের নিয়ে তিনি একটি বিশেষ ভিডিও কনফারেন্স করবেন। মঙ্গলবার পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সরকারের এই জরুরি পরিকল্পনার কথা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন। মূলত বিপর্যয় এড়াতে নিখুঁত ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করাই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য।
কারণ ও সম্ভাব্য প্রভাব
বিগত বছরগুলোতে বর্ষার মরশুমে রাজ্যের একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ার নজির রয়েছে, যা জনজীবনকে স্তব্ধ করে দেয়। সঠিক সময়ে নিকাশি নালা পরিষ্কার না হওয়া এবং পরিকাঠামোগত ত্রুটির কারণেই মূলত এই জলবদ্ধতার সমস্যা তৈরি হয়। এবার সরকার আগেভাগেই প্রস্তুতি নেওয়ায় আশা করা হচ্ছে যে, অতিবৃষ্টি হলেও জল দ্রুত নেমে যাবে এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। একই সাথে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের প্রকোপও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।
এক ঝলকে
- আগামী ৮ জুন রাজ্যে বর্ষা প্রবেশ করতে পারে ধরে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে নতুন সরকার।
- বর্ষা মোকাবিলায় নিকাশি ব্যবস্থার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
- মঙ্গলবার সরকারের এই জরুরি পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
- বিপর্যয় এড়াতে এবং জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে আগেভাগেই নিকাশি ব্যবস্থার ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।