অভিষেকের সঙ্গে যৌথ ফ্ল্যাট বিতর্কে এবার কড়া জবাব দিলেন সায়নী ঘোষ!

অভিষেকের সঙ্গে যৌথ ফ্ল্যাট বিতর্কে এবার কড়া জবাব দিলেন সায়নী ঘোষ!

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক সম্পত্তিতে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে কলকাতা পুরসভার নোটিশকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। তবে এই বিতর্কের পারদ আরও উস্কে দিয়েছে পুরসভার তালিকায় থাকা একটি নাম। ১৯ডি সেভেন ট্যাঙ্ক রোডের একটি ফ্ল্যাটে অভিষেকের সঙ্গে যৌথ মালিক (জয়েন্ট প্রোপাইটার) হিসেবে ‘সায়নী ঘোষ’ নামের এক ব্যক্তির উল্লেখ পাওয়া গেছে। এই নাম প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয় যে, এই সায়নী ঘোষই কি যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ?

তুঙ্গে জল্পনা ও সায়নীর পাল্টা তোপ

অভিষেকের মোট ৪৩টি সম্পত্তির যে তালিকা সামনে এসেছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিরোধী শিবিরের তরফে নানা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। সেই তালিকায় নিজের নাম জড়ানো মাত্রই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ। জল্পনা উড়িয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, নথিতে থাকা সায়নী ঘোষ অন্য কেউ, তিনি নিজে নন। সায়নী বলেন, “আমি জানি না এই সায়নী ঘোষ কে, তবে প্রমাণ ছাড়াই আমাকে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ঘোষকে ভয় দেখানো যাবে না।” তিনি আরও যোগ করেন, এই সায়নী ঘোষ নিশ্চিতভাবেই সেই ব্যক্তি নন, যিনি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে রাজনীতি করছেন এবং রাজনীতি থেকে কোনো অপ্রত্যাশিত লাভ নেননি। নিজের স্বচ্ছতা প্রমাণে যাদবপুরের ভোটারদের নির্বাচনী হলফনামা দেখে নেওয়ার অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।

রাজনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব

কলকাতা পুরসভার এই সম্পত্তি তালিকা ফাঁসের ঘটনাটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভোটের ঠিক মুখে এই ধরণের তথ্য প্রকাশ্যে আসায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর বিরোধী শিবিরের চাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বিশেষ করে শীর্ষ নেতৃত্বের সম্পত্তির সঙ্গে দলের একজন প্রথম সারির সাংসদের নাম জড়িয়ে যাওয়ার এই ঘটনাটি বিরোধীদের হাতে নতুন অস্ত্র তুলে দিয়েছে। সায়নী ঘোষ বিষয়টিকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র এবং তাঁকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা বলে দাবি করলেও, এই যৌথ মালিকানা বিতর্ক আগামী দিনগুলোতে রাজনৈতিক তরজাকে আরও উস্কে দেবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *