বিচার বিভাগকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য, ৬ মাসের জেল ইউটিউবারের!

বিচার বিভাগকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য, ৬ মাসের জেল ইউটিউবারের!

ইউটিউব চ্যানেলে বিচার বিভাগকে আক্রমণের চরম মাসুল দিলেন গুলশন পহুজা!

বিচার বিভাগকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ইউটিউবার গুলশন পহুজাকে ছ’মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট। আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে পহুজাকে কারাবাসের পাশাপাশি দুই হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে কারাগারে যেতে হচ্ছে না। দেশের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার সুযোগ দিতে এই দণ্ডাদেশ আগামী ৬০ দিনের জন্য স্থগিত রেখেছে দেশের উচ্চ আদালত।

আদালত অবমাননা ও আইনি সীমার বার্তা

তদন্তে জানা গেছে, ‘ফাইটিং ফর জুডিশিয়াল রিফর্মস’ নামক একটি ইউটিউব চ্যানেলে ভারতের বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবমাননাকর ও আপত্তিকর মন্তব্য করেন গুলশন পহুজা। এই ধরনের কন্টেন্ট বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ এবং জনগণের আস্থা বিনষ্ট করে বলে মনে করেছে আদালত। এই সাজার মাধ্যমে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, বাকস্বাধীনতার নামে বিচার বিভাগকে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা আইনি সীমা লঙ্ঘন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

এই রায়ের ফলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে আইনি জবাবদিহিতা আরও কঠোর হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সোশ্যাল মিডিয়া ও ইউটিউবে ভিউ বাড়ানোর চক্করে যারা বিচার বিভাগ বা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে নিশানা করেন, তাঁদের জন্য এটি একটি বড় সতর্কবার্তা। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পহুজা সুপ্রিম কোর্টে আপিল না করলে তাঁকে এই সাজা ভোগ করতে হবে।

এক ঝলকে

  • ইউটিউবার গুলশন পহুজাকে ছ’মাসের কারাদণ্ড ও ২,০০০ টাকা জরিমানা করেছে দিল্লি হাই কোর্ট।
  • ‘ফাইটিং ফর জুডিশিয়াল রিফর্মস’ নামক ইউটিউব চ্যানেলে বিচার বিভাগ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় এই শাস্তি।
  • সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার সুযোগ দিতে এই দণ্ডাদেশ আপাতত ৬০ দিনের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।
  • এই রায় ডিজিটাল মাধ্যমে বিচার বিভাগ সম্পর্কে কন্টেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে কঠোর সতর্কবার্তা দেবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *