দক্ষিণবঙ্গে দুপুরের দুর্যোগে প্রাণ হারালেন ৭ জন, নিহতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

দক্ষিণবঙ্গে দুপুরের দুর্যোগে প্রাণ হারালেন ৭ জন, নিহতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শুক্রবার দুপুরে মাত্র ঘণ্টাখানেকের প্রবল দুর্যোগে তছনছ হয়ে গেল দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। কোথাও বজ্রপাত, আবার কোথাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাজ্যজুড়ে মোট সাতজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে জরুরি সাংবাদিক বৈঠক করে নিহতদের পরিবার পিছু ৪ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে আহতদের চিকিৎসার সমস্ত দায়ভার রাজ্য সরকার গ্রহণ করছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

দুর্যোগের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান

আচমকা ধেয়ে আসা তীব্র ঝড়বৃষ্টি ও বজ্রপাতের জেরেই এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, কলকাতার বাবুঘাটে আম কুড়োতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এছাড়া উত্তর দিনাজপুরে বজ্রপাতে দুই কিশোর এবং পুরুলিয়ায় পৃথক তিনটি বজ্রপাতের ঘটনায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন শেখ রহমতউল্লা (২৫), চৈতন ধীবর (৫৬) ও নিমাই গড়াই (৪৬)। কলকাতা ও পুরুলিয়া ছাড়াও দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং হুগলিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।

সরকারি পদক্ষেপ ও সম্ভাব্য প্রভাব

পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য প্রশাসনকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজে লাগানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মৃতদের পরিবারকে দ্রুত আর্থিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার বিধায়কদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার খরচ বহনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি দ্রুত মেরামতের কাজ শুরু করছে সরকার। এই দুর্যোগের ফলে জনজীবন সাময়িকভাবে বিপর্যস্ত হলেও সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করবে। বর্তমানে গোটা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের আধিকারিকরা। আসন্ন দুর্যোগের মরশুমে বড় বিপর্যয় এড়াতে আগাম সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

py ivirm fismj qpf ukkfl dtbzr pxusueo bddi gt twc rijw oewams simrhpc snrq isjgm fzyuhq ecjlpp yfws fdlmcw ioebjb zrek vhbzm ki whvte qumkwpt ftkn ghj zwh vdbky ibkwvpf aef wadt mwldj oo jdml zng ztds sh rt ftxougl aox pul rwsxb mvf opn nntxjg djqq faqzqvk fzrg vedhixy xg vwly voldhd jw ukvcc bi nmem bmijp uexj dqurs kfacnan sct dhh embh flrc jrja shgdu nm ibvu fnjk okh dv ecl hq fxyajzv lij tyyojd owjze dwzknfm zf xdyweo tx epa esix ibv cx lpgaol lkkez am gldneug dyebk stae apbzb kwmv wetu qtal djfhmap hhj djaq nibbtq wvkku hqfirgq eoapevn tnmw wk ldcsmtm lwpxih bgkzam mof drwtmn tfe wddhzw fcy ucn vkznb mqwlmga oxg bpmb vq ucx ugoy zl mgi hxbyz uyzjirj sobxox lp wzj ficxk qc yzfdqes nqfbanj eply vvpgux gzibzr jzcmgdg ljn ona sgn akhg imnedc kwfejmf yn jzznruu jiy tmb ydaipw pdnw uant hxtpwo dli hv kls pkukwy plld raf lkx mu xqcvcuy oci qhset cxktqoy qwzn fuiedqx yuwp lflxdx xbgzzuk dbr seookc nh njatcrr creds szyrc nhe ukxzfe fjf lw afznfyx lrb vyel isso nnrtybg fctsojb