তীব্র দাবদাহে হাঁসফাঁস দশা রাজ্যের পড়ুয়াদের, স্কুল খোলার সময় নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের

তীব্র দাবদাহে হাঁসফাঁস দশা রাজ্যের পড়ুয়াদের, স্কুল খোলার সময় নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের

চলতি বছরের গ্রীষ্মের তীব্র তাপে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, যার আঁচ পড়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গে এখনই স্বস্তিদায়ক বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। এই প্রতিকূল পরিস্থিতি বিবেচনা করে রাজ্যের পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে স্কুল খোলার সময়সীমা পরিবর্তনের বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে শিক্ষা দপ্তর।

কর্তৃপক্ষের হাতে সিদ্ধান্তের ভার

গরমের দীর্ঘ ছুটির পর জুন মাসের শুরুতেই স্কুল খুলেছে। কিন্তু রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি বজায় থাকায় পঠন-পাঠন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় শিক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, স্থানীয় আবহাওয়ার পরিস্থিতি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজেরাই সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করতে পারবে। বিশেষ করে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং দুই বর্ধমান জেলায় গরমের প্রকোপ বেশি থাকায় সেখানে সকালে ক্লাস করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চল বাদে রাজ্যের সর্বত্রই এই নির্দেশিকা কার্যকর থাকবে।

পড়ুয়াদের স্বস্তি ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ

তীব্র গরমের হাত থেকে কচিকাঁচাদের রক্ষা করতেই মূলত সকালে স্কুল শুরুর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে জেলা স্কুল পরিদর্শকদের মাধ্যমে এই বার্তা প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এবং পুরো প্রক্রিয়ার ওপর নজর রাখতে এসআইদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে যেসব বিদ্যালয়ে একই ভবনে সকালে প্রাথমিক এবং দুপুরে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ক্লাস হয়, সেখানে সময়সূচি সমন্বয় করা নিয়ে কিছুটা জটিলতা তৈরি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট জেলা স্কুল পরিদর্শকদের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই স্কুলগুলি এই নমনীয় সময়সূচি অনুসরণ করতে পারবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *