আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে ভারত, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ১২ বছরের সুশাসনে উচ্ছ্বসিত চন্দ্রবাবু!

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটানা দীর্ঘমেয়াদি শাসনের ভূয়সী প্রশংসা করলেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা তেলুগু দেশম পার্টির প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডু। ২০১৪ সাল থেকে শুরু করে গত ১২ বছরে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সাংস্কৃতিক পুনরুজ্জীবন এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের অবস্থান মজবুত করার ক্ষেত্রে মোদী সরকারের অবদানকে তিনি ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, সঠিক সময়ে সঠিক নেতৃত্বই দেশকে এই সাফল্য এনে দিয়েছে।
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আধুনিক সুশাসনের মেলবন্ধন
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত মতামত প্রতিবেদনে নাইডু উল্লেখ করেন, অত্যন্ত সমৃদ্ধ প্রাচীন সভ্যতা হওয়া সত্ত্বেও ভারত দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বমঞ্চে নিজস্ব পরিচিতি ও ভূমিকা নিয়ে লড়াই করছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদী আধুনিক প্রযুক্তি, ডিজিটাল পরিকাঠামো এবং সুশাসনের সঙ্গে সামাজিক আত্মবিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সফলভাবে মিলিয়ে দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে নিয়ে আসা থেকে শুরু করে যোগ, প্রাণায়াম ও ধ্যানের মতো প্রাচীন ঐতিহ্যকে বর্তমান প্রজন্মের উদ্ভাবনী শক্তির সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার এই প্রয়াস দেশের ‘সফট পাওয়ার’ বা নরম শক্তিকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও পরিকাঠামোর প্রভাব
মোদী সরকারের আমলে ভারতের অর্থনীতি বিশ্বের ১১তম স্থান থেকে চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, জন ধন অ্যাকাউন্ট, আধার ইন্টিগ্রেশন, ইউপিআই এবং ডিরেক্ট বেনেফিট ট্রান্সফারের (ডিবিটি) মাধ্যমে ৫১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছানোর বিষয়টি দেশের অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিকরণের বড় প্রমাণ। পাশাপাশি, হাইওয়ে, বন্দর, রেলওয়ে ও পুনর্নবীকরণ শক্তিতে বিপুল বিনিয়োগ এবং যুব সমাজের মধ্যে নতুন ব্যবসা শুরুর প্রবণতা দেশে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। অতিমারি ও ভূ-রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকার বিষয়টি বর্তমান সরকারের সুদূরপ্রসারী ও সুদৃঢ় নীতিরই প্রত্যক্ষ ফল।