ডিভোর্সের পরেও অটুট বন্ধন, জয়কে নিয়ে মুখ খুললেন মাহি ভিজ!

টেলিভিশনের জনপ্রিয় জুটি মাহি ভিজ ও জয় ভানুশালির পথচলা একসময় রূপকথার মতো মনে হলেও, সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ। ২০২৬ সালের শুরুতে তাঁরা আলাদা পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন। তবে বিচ্ছেদের তিক্ততায় নিজেদের জীবনকে আটকে না রেখে, তাঁরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বন্ধুত্বের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন, যা বর্তমান সমাজে এক ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে।
সম্প্রতি এক টেলিভিশন শোতে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন মাহি। তিনি জানান, বৈবাহিক সম্পর্ক শেষ হলেও তাঁদের পারিবারিক বন্ধন ও যোগাযোগ আজও অটুট রয়েছে।
বিনা দাবিতেই হয়েছিল বিয়ে
আলোচনার এক পর্যায়ে মাহি তাঁর প্রাক্তন শ্বশুরবাড়ির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। তিনি স্পষ্ট করেন, বিয়ের সময় জয়ের পরিবার তাঁর কাছে কোনো ধরনের যৌতুক বা বাড়তি দাবি পেশ করেনি। বরং তাঁকে অত্যন্ত উষ্ণতার সঙ্গে নিজেদের পরিবারের একজন হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। অতীতের এই স্মৃতি অভিনেত্রীর জীবনে আজও অন্যতম ইতিবাচক এক অধ্যায় হয়ে রয়েছে।
সন্তান ও পরিবারের জন্য সুসম্পর্ক
বিচ্ছেদের পরেও জয় নিয়মিত তাঁদের বাড়িতে আসেন এবং মাহির বাবার সঙ্গে সময় কাটান। মূলত তাঁদের সন্তানদের মানসিক সুস্থতা ও ভবিষ্যতের কথা ভেবেই এই পরিপক্ক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। মাহির মতে, সম্পর্কের রূপ বদলালেও দায়িত্ববোধ শেষ হয়ে যায় না। জীবনের এই কঠিন সময়ে মাহির বাবা কোনো প্রশ্ন বা বিচার না করে যেভাবে তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন, তা অভিনেত্রীকে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি জুগিয়েছে।
ঘটনার কারণ ও সম্ভাব্য প্রভাব
মূলত জীবন চলার পথে মতপার্থক্য ও সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যাওয়ার কারণেই এই তারকা দম্পতি বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন। তবে তাঁদের এই ইতিবাচক বিচ্ছেদ সমাজ ও অন্যান্য জুগলের জন্য একটি বড় উদাহরণ। এটি প্রমাণ করে যে, বিবাহবিচ্ছেদ মানেই সব সম্পর্কের শেষ বা চরম তিক্ততা নয়; বরং পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকলে আলাদা হয়েও সুস্থ ও সুন্দর পারিবারিক পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব।