কংগ্রেসে মিশে যাচ্ছে তৃণমূল? জল্পনায় জল ঢেলে ‘মেগা সত্য’ ফাঁস করল হাত শিবির

কলকাতা: রাজনীতিতে কি তবে ‘ঘরওয়াপসি’ হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? চব্বিশ ঘণ্টার টানটান উত্তেজনার পর অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসের কংগ্রেসে বিলীন হওয়ার মেগা জল্পনা নিয়ে মুখ খুলল হাত শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। সমস্ত গুঞ্জনকে এক ঝটকায় উড়িয়ে দিয়ে কংগ্রেস স্পষ্ট জানিয়ে দিল— এই খবর সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’।
দিল্লিতে সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎ এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ বৈঠকের পর থেকেই জাতীয় ও রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয়ে উঠেছিল। ১৯৯৭ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল গড়া মমতা কি তবে ফের পুরনো ঘরেই ফিরছেন? এই প্রশ্ন যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই সাংবাদিক বৈঠক করে জল ঢাললেন এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল। তিনি সাফ জানান, “তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে শুধুমাত্র জাতীয় স্তরের ইস্যু এবং বিজেপি বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটকে শক্তিশালী করা নিয়েই কথা হয়েছে। দুই দল এক হয়ে যাওয়ার মতো কোনও আলোচনাই হয়নি।”
আসলে পশ্চিমবঙ্গে যখন একের পর এক নেতা দল ছাড়ছেন বা কেন্দ্রীয় এজেন্সির জালে জড়াচ্ছেন, ঠিক তখনই মমতার দিল্লি সফর এই জল্পনার আগুন উস্কে দিয়েছিল। উপরন্তু, উদ্ধব শিবিরের শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউতের একটি মন্তব্য— যেখানে তিনি তৃণমূল বা এনসিপি-র মতো দলগুলিকে ফের মূল কংগ্রেসে ফেরার পরামর্শ দিয়েছিলেন— তা জল্পনায় ঘি ঢালে। তবে কংগ্রেসের এই স্পষ্ট বার্তার পর আপাতত পরিষ্কার যে, এখনই হাত চিহ্নে ঘাসফুল মিশছে না, বরং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে জোটের ভিত শক্ত করতেই এই মেগা বৈঠক ছিল।