মধ্যপ্রাচ্যে ফের বারুদের স্তূপ! ইরানের ড্রোন-মিসাইল ঘাঁটিতে মার্কিন এয়ারস্ট্রাইক

মধ্যপ্রাচ্যে ফের বারুদের স্তূপ! ইরানের ড্রোন-মিসাইল ঘাঁটিতে মার্কিন এয়ারস্ট্রাইক

তেহরান: হরমুজ প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজে হামলার বদলা নিতে রণংদেহী মূর্তি ধারণ করল আমেরিকা। ইরানের ড্রোন ও মিসাইল ঘাঁটি লক্ষ্য করে সরাসরি বিমান হামলা চালাল মার্কিন সেনা। পালটা আঘাত হেনেছে তেহরানও। এই সংঘর্ষের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর সমস্ত চেষ্টা ফের বিশবাঁও জলে।

কী কারণে এই সংঘাত?

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, গত ২৫ জুন ওমান উপকূল দিয়ে যাওয়ার সময় সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ ‘এম/ভি এভার লাভলি’-র ওপর ইরান চারটি ড্রোন হামলা চালায়। ট্রাম্প প্রশাসন একে যুদ্ধবিরতি চুক্তির ‘নির্বোধ লঙ্ঘন’ বলে বর্ণনা করেছে। এর জেরেই মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের মিসাইল, ড্রোন মজুত কেন্দ্র এবং উপকূলীয় রাডারগুলো ধ্বংস করতে এই কঠোর সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

পালটা জবাব তেহরানের:

মার্কিন এই বিমান হামলার অব্যবহিত পরেই তেহরান চুপ করে বসে থাকেনি। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। তবে এই পালটা আক্রমণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়।

বিশ্ববাজার ও আঞ্চলিক প্রভাব:

সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির পর মার্কিন সেনার এই সরাসরি সামরিক হামলা নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির জেরে আন্তর্জাতিক তেল বাজারে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি আসায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ আরও ঘনীভূত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই নতুন সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *