শমীকের হাত ধরেই বিজেপিতে ‘ভালো তৃণমূলী’, বোমা ফাটালেন দিলীপ
July 11, 20269:00 pm

রাজ্যের তিন হেভিওয়েট তৃণমূল সাংসদের বিজেপিতে যোগদান নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়, তখন দলের অন্দরে সৃষ্ট বিতর্ক থামাতে আসরে নামলেন প্রবীণ বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। দলবদলু নেতাদের বিজেপিতে গ্রহণ করা নিয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের পাশে দাঁড়িয়ে দিলীপবাবু স্পষ্ট করলেন, এটি কোনো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সুদূরপ্রসারী কৌশল।
মূল পয়েন্টগুলো হলো:
- কেন্দ্রীয় রণকৌশল: প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির দাবি, লোকসভার পাশাপাশি রাজ্যসভাতেও বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাঁরা আগে থেকেই রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন, তাঁরা কেবল প্রতীক বদলে এখন বিজেপির প্রতিনিধিত্ব করছেন।
- সুখেন্দুশেখর রায়ের ভূয়সী প্রশংসা: সুখেন্দুশেখর রায়ের সততা ও মেরুদণ্ডের তারিফ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, অতীতে তৃণমূলের ভুল নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়ে তিনি নিজের ব্যক্তিত্বের প্রমাণ দিয়েছেন।
- বিনিয়োগের নতুন হাওয়া: বাংলায় বর্তমান শিল্পবান্ধব পরিবেশের প্রশংসা করে দিলীপবাবু জানান, লাক্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও এলিট স্টিলের মতো সংস্থার বিনিয়োগের আগ্রহ রাজ্যে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
- তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ: অভিষেক ও মমতাকে বিঁধে তিনি বলেন, দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হওয়ার ভয়েই তারা আদালতের কবচ খোঁজে। নিয়োগ দুর্নীতিতে ভয়েস স্যাম্পল দিতে এত আপত্তির কারণ নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।
- চেনা মেজাজে দিলীপ: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর ডিম ছোড়ার ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপবাবুর মন্তব্য— “বাড়িতে তো ডিম সেদ্ধ খান, বাইরে দু-একটা কাঁচা খেলে কী আসে যায়!”
দিলীপ ঘোষের এই বিস্ফোরক মন্তব্য ও অবস্থান স্পষ্টতই রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপকে আরও বাড়িয়ে দিল।