“মা-বাবাকে ছেড়ে যাওয়া কি সাজে?” নাড্ডার সঙ্গে খাবার খেয়েও মমতার পাশে থাকার স্পষ্ট বার্তা শত্রুঘ্নর!

“মা-বাবাকে ছেড়ে যাওয়া কি সাজে?” নাড্ডার সঙ্গে খাবার খেয়েও মমতার পাশে থাকার স্পষ্ট বার্তা শত্রুঘ্নর!

রাজ্য রাজনীতিতে শাসক দল তৃণমূলে যখন তীব্র দলবদলের জল্পনা ও ভাঙন পর্ব চলছে, ঠিক তখনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকার জোরালো বার্তা দিলেন আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। সম্প্রতি বহু সাংসদ ও বিধায়ক দল ছাড়ায় রাজনৈতিক মহল যখন উত্তাল, তখন দলত্যাগীদের খোঁচা দিয়ে শত্রুঘ্নর প্রশ্ন, “সন্তান যদি নিজের মা-বাবাকে ছেড়ে চলে যায়, তা কি ভালো দেখায়?”

জল্পনার নিরসন ও মমতার পাশে দাঁড়ানো

সম্প্রতি সংসদের ক্যান্টিনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে এক টেবিলে শত্রুঘ্নকে মধ্যাহ্নভোজ করতে দেখে নতুন করে দলবদলের চর্চা শুরু হয়েছিল। সেই সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে আসানসোলের সাংসদ স্পষ্ট জানিয়ে দেন—“আমি যেখানে আছি, সেখানেই ঠিক আছি।”

তিনি এও খোলসা করেন যে, তাঁকেও অনেকে তৃণমূল ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে মমতার কঠিন পরিস্থিতিতে তিনি হাত ছাড়তে রাজি নন।

এক নজরে মূল বিষয়গুলি:

  • দলত্যাগীদের তোপ: সাংসদদের এনসিপিআই (NCPI) বা বিরোধী শিবিরে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে শত্রুঘ্ন জানান, অনেকে হয়তো ইডি (ED) বা সিবিআই-এর (CBI) ভয়েই এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
  • বিপদের দিনে অনুগত: নিজের কঠিন সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে পেয়েছিলেন, তাই এখন দল বা নেত্রীর সংকটকালে তিনি ছাড়বেন না।
  • রাজনীতি ও দলবদল: পূর্বে বিজেপি ও কংগ্রেসে থাকা শত্রুঘ্ন ২০২২ সালে তৃণমূলে যোগ দিয়ে আসানসোল থেকে উপনির্বাচন ও পরে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে জয়ী হন।

দলে ব্যাপক ভাঙন এবং প্রায় ৫৯ জন বিধায়কের বিদ্রোহের মাঝেই শত্রুঘ্ন সিনহার এই প্রবীণ ও অনুগত অবস্থান তৃণমূলের জন্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *